মো. আশরাফ উদ্দিন বলেন, অবৈধ বিদ্যুৎ–সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা গেলে পাহাড়ের অবৈধ বসতি ঠেকানো সম্ভব। কারণ, বিদ্যুতের সঙ্গে অনেক সুযোগ–সুবিধা জড়িত। কীভাবে তাঁরা বিদ্যুৎ সংযোগ পান, তা–ও খতিয়ে দেখতে হবে। পাহাড়ের অবৈধ বসতির তালিকার হালনাগাদ তথ্য মাসখানেকের মধ্যে পাওয়া যাবে বলে জানান তিনি।

রেলওয়ের প্রধান ভূসম্পত্তি কর্মকর্তা সুজন চৌধুরী বলেন, অবৈধ বসতিগুলো ফিরোজ শাহ ১, ২ ও ৩ নম্বর ঝিল, সিআরবি ও বাটালি পাহাড় এলাকায়।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মমিনুর রহমান বলেন, গত তিন দিনে ১৮৫টি অবৈধ বসতি ফিরোজ শাহ ১ নম্বর ঝিল থেকে উচ্ছেদ করা হয়েছে। এতে দখলদারদের লাভ হয়েছে। তাঁরা নতুন করে জায়গাটি আরেকজনের কাছে বিক্রি করবেন। এ জন্য যাদের পাহাড় তাদের উচিত খালি জায়গা বনায়ন করে রক্ষা করা।

সভায় বায়েজিদ সংযোগ সড়কের পাশে ৯০ ডিগ্রি খাড়াভাবে থাকা পাহাড়গুলো বিপদমুক্ত করার জন্য একটি কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়। এরপর পরিবেশ অধিদপ্তরে আবেদন করে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের অনুমতি সাপেক্ষে এসব পাহাড় বিশেষজ্ঞ কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী ছেঁটে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মো. মিজানুর রহমান, পরিবেশ অধিদপ্তরের নগরের পরিচালক হিল্লোল বিশ্বাস, চট্টগ্রাম অঞ্চলের পরিচালক মুফিদুল আলমসহ বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধিরা সভায় উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০০৭ সালের ১১ জুন চট্টগ্রামে পাহাড়ধসে ১২৭ জনের মৃত্যুর পর পাহাড় ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন করা হয়।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন