বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বেলা সাড়ে এগারোটায় জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধুসভার বন্ধুরা। এরপর কেক কেটে প্রথম আলোর জন্মবার্ষিকী উদ্‌যাপন করেন শিক্ষকেরা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা সিরাজ উদ দৌল্লাহ, প্রক্টর রবিউল হাসান ভূঁইয়া, প্রাণ রসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি মো. আতিয়ার রহমান জিন প্রকৌশল ও জীবপ্রযুক্তি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আদনান মান্নান, বন্ধুসভার বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি এবং শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের শিক্ষক তাসনিম মুশাররাত, প্রথম আলো চট্টগ্রাম অফিসের বার্তা সম্পাদক কবি ওমর কায়সার ও বিজ্ঞাপন বিভাগের সহকারী ব্যবস্থাপক সেলিম রেজা সাগর। পরে অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শাহাব উদ্দিন ও নৃবিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি খাদিজা মিতু।

অনুষ্ঠানের প্রথম ধাপে কথামালার আয়োজন ছিল। দ্বিতীয় ধাপে ছিল শিক্ষক সম্মাননা। আর তৃতীয় ধাপে সাংস্কৃতিক আয়োজন। সাংস্কৃতিক আয়োজনে বন্ধুসভার সদস্য ছাড়াও অংশ নেয় আবৃত্তি মঞ্চ ও অঙ্গন। এবার শিক্ষা ও গবেষণার নানা দিক বিবেচনা করে প্রথম আলোর পক্ষ থেকে সম্মাননা পান প্রাণ রসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ রেজওয়ানুল হক এবং নৃবিজ্ঞান বিভাগের মোশরেকা অদিতি হক।

প্রথম আলোর ২৩ বছরের পথচলা, প্রাপ্তি ও পাঠকের চাওয়া নিয়ে বক্তব্য দেন বন্ধুসভার উপদেষ্টা ও শিক্ষক আদনান মান্নান। তিনি বলেন, অকুতোভয় ও নির্ভীক সাংবাদিকতায় প্রথম আলো দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। সংবাদ ও ফিচারও যে গবেষণা করে করতে হয়, তা প্রথম আলো প্রমাণ করেছে। বাংলাদেশে যে অনেক আশার জায়গা আছে, আলো দেখানোর মানুষ আছে, তা প্রথম আলো খুঁজে বের করেছে। প্রথম আলো এখন কেবল একটি পত্রিকা নয়, একটি মননশীল ও আলোকিত চেতনাও বটে।

যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শাহাব উদ্দিন বলেন, ‘প্রথম আলো পাঠকের কাছে নেশার মতো। এটি পাঠকের কাছাকাছি থাকার চেষ্টা করে। প্রথম আলো কেনো জনমানুষের ভালোবাসা পেয়েছে? কেনো জনপ্রিয়তা পেয়েছে? তাঁর উত্তর এভাবে দেওয়া যায় যে, প্রথম আলো সংবাদের গভীরে যাওয়ার চেষ্টা করে। অনুসন্ধান করে। কিন্তু আমরা প্রথম আলোর কাছে আরও বেশি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন চাই।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর রবিউল হাসান ভূঁইয়া বলেন, ‘সমাজ পরিবর্তনে গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সমাজ গঠনে সংবাদমাধ্যমের ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দিতে পারে একটি দৃশ্যপট। তাই প্রথম আলোর কাছে আবেদন থাকবে নেতিবাচক বিষয়গুলো উপস্থাপনের পাশাপাশি ইতিবাচক বিষয়গুলোও যেন বিশেষ করে তুলে ধরে।’

ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক সিরাজ উদ দৌল্লাহ বলেন, ‘রাষ্ট্রগঠনের পক্ষে, রাষ্ট্রের উন্নয়নের পক্ষে, জনমানসের পক্ষে গণমাধ্যম দাঁড়াতে পারছে কি না সেটাই মূল বিষয়। প্রথম আলো অবশ্য পাঠকের মন জয় করেছে। দল নিরপেক্ষ পত্রিকা হিসেবে প্রথম থেকেই ভূমিকা রেখেছে। সাংবাদিকতার বাইরেও এই সংবাদপত্র নানা উন্নয়নমূলক কাজ করে যাচ্ছে। বন্ধুসভার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বের গুণাগুণ তৈরি করছে। এটি প্রশংসার দাবি রাখে।

সমাপনী বক্তব্যে প্রথম আলো চট্টগ্রাম কার্যালয়ের বার্তা সম্পাদক ওমর কায়সার বলেন, ‘প্রথম আলো জীবনের স্রোতকে ধরে রেখেছে। এই স্রোত মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে চাইছে। সকলের মধ্যে সত্যের বীজ বুনে দিতে চাইছে।’

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন