ছাত্রলীগের এই দুই উপপক্ষের একটি এপিটাফ ও অন্যটি সিক্সটি নাইন। দুই উপপক্ষই সাবেক সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিনের অনুসারী হিসেবে ক্যাম্পাসে পরিচিত। ছাত্রলীগ সূত্র বলেছে, বুধবার দুপুরের মাস্টারদা সূর্যসেন হলের ক্যানটিনে খেতে যান সিক্সটি নাইনের কর্মী বায়েজিদ বোস্তামী ও তাঁর দুই নারী সহপাঠী। তাঁরা সবাই প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। সেখানে আগে থেকেই ছিলেন এপিটাফের ১০/১২ জন নেতা-কর্মী।

এপিটাফের নেতা-কর্মীরা বায়েজিদ ও তাঁর সহপাঠীদের র‍্যাগ দেন ও চার ঘণ্টা তাদের আটকে রাখেন। পরে বায়েজিদ বিষয়টি সিক্সটি নাইনের নেতা-কর্মীদের জানান।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর শহিদুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, র‍্যাগিংয়ের বিষয়টি তিনি শুনেছেন। কেউ এখনো অভিযোগ দেননি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেবেন।

এরপর সিক্সটি নাইনের নেতা-কর্মীরা বুধবার রাতে দলবলে মাস্টারদা সূর্যসেন হলে যান। সেখানে দুই উপপক্ষের নেতা-কর্মীদের মধ্যে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় ২০ নেতা-কর্মী আহত হন। বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্রে আহতরা চিকিৎসা নিয়েছেন। ২০ জন আহত হওয়ার বিষয়টি প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেছেন চিকিৎসাকেন্দ্রের চিকিৎসক টিপু সুলতান।

র‍্যাগিংয়ের বিষয়ে বায়েজিদ বোস্তামী প্রথম আলোকে বলেন, সূর্যসেন হলের কয়েকজন বড় ভাই তাঁদের চার ঘণ্টা আটকে র‍্যাগ দেন। এ সময় তাদের গালাগাল করা হয়, গান গাইতে বলা হয়, নামতা পড়তে বলা হয়। এরপর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

বায়েজিদের বক্তব্যের বিষয়ে জানতে এপিটাফের নেতা সাজ্জাদ হোসেনকে কয়েকবার ফোন করলেও সাড়া পাওয়া যায়নি। বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, র‍্যাগ দেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন