বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সজীব ওয়াজেদ জয় আরও বলেন, শেষ প্রান্তের ব্যবহারকারীরা ফিক্সড লাইনের মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহার করেন না। তাঁরা মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। তিনি বলেন, ‘এ জন্য আমরা স্পেকট্রাম ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে কিছুটা ঘাটতির চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হচ্ছি। ঘন জনবসতির কারণে আমাদের ব্যাপক জায়গায় এই সংযোগ দিতে হবে এবং অতিরিক্ত সংযোগ নিলামের মাধ্যমে দিতে হবে। আর এ জন্য আমরা মোবাইল অপারেটরদের জন্য অধিক স্পেকট্রাম অবাধ করে দিচ্ছি।’

তারা কয়েক বছর আগে ফোর–জি চালু করেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘আমরা আশা করছি যে অতিরিক্ত স্পেকট্রাম ব্যবহার করে মোবাইল অপারেটরগুলো দুর্গম গ্রামীণ এলাকাগুলোতে (শেষ প্রান্তে) ফোর–জি চালু করতে পারবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘একত্রে ফোর–জি ও ফাইভ–জির মাধ্যমে আমরা দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের শেষ সীমানা পর্যন্ত ইন্টারনেট সংযোগের সমস্যা সমাধানের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। যেহেতু দেশের মধ্যেই প্রচুর সক্ষমতা ও ফাইবার আছে।’

ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিল ২১ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সম্মানে বিজনেস রাউন্ড টেবিলের আয়োজন করে। প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘের ৭৬তম সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে বর্তমানে নিউইয়র্কে অবস্থান করছেন।

প্রধানমন্ত্রী ‘বাংলাদেশ ফরোয়ার্ড: দ্য নিউ ফ্রন্টিয়ার ফর গ্রোথ’ শীর্ষক রাউন্ড টেবিলে ভার্চ্যুয়ালি যোগ দেন।

সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, বিগত দুই বছরে তাঁরা অনলাইন আইডেন্টিটি (কেওয়াইসি) চালু করেছে এবং মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগেই আরেকটি সেবা চালু করেছে। যার ফলে বাংলাদেশের যেকোনো ব্যাংক অ্যাকাউন্টে তাৎক্ষণিক পেমেন্ট করা যাবে।

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি উপদেষ্টা আরও বলেন, এখন পর্যন্ত অর্থাৎ এই সেবা শুরুর আগে, এই পেমেন্ট করতে দুই দিন পর্যন্ত সময় লেগে যেত।

সজীব ওয়াজেদ জয় রাউন্ড টেবিলে অংশগ্রহণকারীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আপনারা অনলাইনের মাধ্যমে এই সেবাগুলো থেকে বঞ্চিত হবেন না। আপনাদের সিস্টেম এই সেবাগুলোর সঙ্গে সংযোগ ঘটাতে সক্ষম।’

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন