বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এর আগে গত ৩ অক্টোবর অনুষ্ঠিত সংসদীয় কমিটির বৈঠকেও মাদক নিয়ে আলোচনা হয়। ওই বৈঠকের কার্যবিবরণী থেকে জানা যায়, সেদিনের বৈঠকে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) মহাপরিচালক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, কক্সবাজার এলাকার বিভিন্ন মাদ্রাসা, স্কুল ও কলেজের শিক্ষকেরা মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। স্থানীয় ব্যক্তিরা এটিকে পার্ট টাইম ব্যবসা হিসেবেও মনে করেন।

সেদিনের বৈঠকে পুলিশের মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ বলেন, মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেপ্তার করে জেলে পাঠানো হচ্ছে কিন্তু প্রলম্বিত বিচার, বিচারক স্বল্পতা এবং সহজে জামিনে বের হয়ে যাওয়া যেন চিরাচরিত নিয়ম। একটি মাদক মামলার চূড়ান্ত রায় হতে প্রায় ১২ বছর লেগে যায়। তখন আর কিছুই করার থাকে না।

জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোস্তফা কামাল উদ্দীন বলেন, যৌন হয়রানি ও মাদক মামলায় কেউ সাক্ষী দিতে আসে না বিধায় আসামিরা সহজেই জামিন পেয়ে যান। জামিনে মুক্ত হয়ে আবার একই পেশায় জড়িয়ে যান। তা ছাড়া দীর্ঘদিন মামলা চলার পর একসময় দেখা যায় মামলার নথিপত্র আর খুঁজে পাওয়া যায় না।

গতকালের বৈঠকেও মাদক নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠক শেষে সংসদ সচিবালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্কুল–কলেজের সামনে পান-সিগারেটের দোকান বা অন্য কোনো দোকান যাতে স্থাপন করতে না পারে, সে জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেওয়ার সুপারিশ করে কমিটি। এ ছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও জেলা কারাগারকে ডোপ টেস্টের আওতায় আনা এবং পর্যায়ক্রমে উপজেলা পর্যায়ে মাদকবিরোধী সভা আয়োজনের সুপারিশ করা হয়।

কমিটির সভাপতি শামসুল হকের সভাপতিত্বে কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান, কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা, পীর ফজলুর রহমান, নূর মোহাম্মদ, সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমদ ও বেগম রুমানা আলী বৈঠকে অংশ নেন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন