ট্রেনটি নাটোর স্টেশন পার হয়ে বগুড়ার আদমদীঘির সান্তাহার স্টেশনে গেলে জেসমিনের প্রসবব্যথা শুরু হয়। ট্রেনের ওই কামরায় ঢাকা মেডিকেল কলেজের এক চিকিৎসক ছিলেন। তিনি এগিয়ে গেলে কামরায় থাকা এক শিক্ষিকাও এগিয়ে যান। চলন্ত ট্রেনেই জেসমিন ফুটফুটে ছেলেসন্তানের জন্ম দেন। ট্রেনটি সন্ধ্যায় জয়পুরহাট স্টেশনে পৌঁছায়।

রেলওয়ের দিনাজপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এরশাদুল হক ভূঞা বলেন, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা একতা এক্সপ্রেস ট্রেনে অন্তঃসত্ত্বার সন্তান হয়েছে। মা ও নবজাতককে জয়পুরহাট আধুনিক জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

জয়পুরহাট আধুনিক জেলা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক সরদার রাশেদ মোবারক বলেন, একতা এক্সপ্রেস ট্রেনটি জয়পুরহাট স্টেশনে পৌঁছার আগেই ট্রেনে থাকা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক রাফসান জানি বিষয়টি তাঁকে জানিয়েছিলেন। মা ও নবজাতক ভালো আছে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন