দুই পক্ষের আইনজীবীর উদ্দেশে আদালত বলেন, অপসারণের বিরুদ্ধে করা রিভিউ (পুনর্নিরীক্ষণ) নিষ্পত্তি হয়নি। দুদক এটি প্রত্যাহার করতে পারে, সংশোধন আবার বাতিলও করতে পারে। আপাতত বিষয়টি স্ট্যান্ডওভার (মুলতবি) রাখা হচ্ছে। এর মধ্যে রিভিউ নিষ্পত্তি করেন। এটি (রিভিউ) তো অনন্তকাল ফেলে রাখতে পারবে না। ১৯ মে পর্যন্ত শুনানি মুলতবি রাখা হলো। রিভিউ এর মধ্যে নিষ্পত্তি হয়ে গেলে আবেদনকারী চাইলে সম্পূরক তথ্য দিয়ে বিষয়টি নিয়ে আসতে পারবেন।

এর আগে গত ১৬ ফেব্রুয়ারি শরীফ উদ্দিনকে চাকরি থেকে অপসারণ করা হয়। দুদক কর্মচারী বিধিমালার ৫৪ (২) বিধি এবং এ বিধির ক্ষমতাবলে চাকরিচ্যুতির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে গত ১৩ মার্চ রিটটি করেন শরীফ। ১৫ মার্চ রিটটি হাইকোর্টে শুনানির জন্য ওঠে। সেদিন শরীফের আইনজীবী জানান, চাকরিচ্যুতির সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) চেয়ে শরীফ দুদকে আবেদন করেছেন, যার ফলাফল জানানো হয়নি। ৩০ দিন পরে শুনানি করতে চান তিনি। আইনজীবীর সময়ের আরজির পরিপ্রেক্ষিতে সেদিন আদালত ১০ এপ্রিল পর্যন্ত শুনানি মুলতবি করেন। এর ধারাবাহিকতায় আজ বিষয়টি ওঠে।

আদালতে শরীফের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. সালাহউদ্দিন দোলন ও আইনজীবী মিয়া মোহাম্মদ ইশতিয়াক। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন।

উল্লেখ্য, রিটটি দায়েরের আগে চাকরি হতে অপসারণের ১৬ ফেব্রুয়ারি আদেশ পুনর্নিরীক্ষণের মাধ্যমে প্রত্যাহার করে চাকরির ধারাবাহিকতা ও অন্যান্য সুবিধাসহ পুনর্বহাল চেয়ে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি দুদক চেয়ারম্যানের কাছে আবেদন (রিভিউ) করেন শরীফ উদ্দিন। এ আবেদনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি বলে আজ শুনানিতে উঠে আসে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন