default-image

তৃতীয় দফায় স্থানান্তরের অংশ হিসেবে আজ শনিবার ১ হাজার ৪৬৪ জন রোহিঙ্গাকে নিয়ে চারটি জাহাজ চট্টগ্রাম থেকে নোয়াখালীর ভাসানচরের উদ্দেশে রওনা হয়েছে।
সকাল সাড়ে নয়টার দিকে চট্টগ্রাম বোট ক্লাব থেকে চারটি জাহাজে রোহিঙ্গারা রওনা হয়। বেলা একটার দিকে তাদের ভাসানচরে পৌঁছানোর কথা।

গতকাল শুক্রবার নোয়াখালীর ভাসানচরে পৌঁছেছে ১ হাজার ৭৭৮ জন রোহিঙ্গা। এর মধ্যে একজন হলেন সুমাইয়া আক্তার। তিনি বলেন, ‘আগে আমরা ঝুপড়িঘরে ছিলাম। এখানে পাকা ঘর পেয়েছি। আশা করি এখানে ভালো কাটবে।’

এর আগে গত মাসে দুই দফায় ৩ হাজার ৪৪৬ জন রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে স্থানান্তর করা হয়।

বিজ্ঞাপন

ভাসানচরে রোহিঙ্গা স্থানান্তর প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত একটি সরকারি সংস্থার কর্মকর্তারা বলেন, স্বেচ্ছায় ভাসানচরে যেতে ইচ্ছুক প্রায় ৪০ হাজার শরণার্থীর তালিকা প্রস্তুত হয়েছে। ফেব্রুয়ারিতে চতুর্থ দফায় আরও অন্তত ৫ হাজার রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে স্থানান্তরের প্রস্তুতি চলছে।

আগে আমরা ঝুপড়িঘরে ছিলাম। এখানে পাকা ঘর পেয়েছি। আশা করি এখানে ভালো কাটবে
সুমাইয়া আক্তার

মিয়ানমারে হত্যা ও নির্যাতনের মুখে ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট থেকে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয় ৮ লাখ রোহিঙ্গা। এর আগে আসে আরও কয়েক লাখ। বর্তমানে উখিয়া ও টেকনাফের ৩৪টি আশ্রয়শিবিরে নিবন্ধিত রোহিঙ্গার সংখ্যা সাড়ে ১১ লাখ।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন