বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সভায় বলা হয়, পটুয়াখালীসহ বিভিন্ন চরাঞ্চলে ডাল ও তেলজাতীয় ফসলের উৎপাদন হচ্ছে। ধানের উৎপাদনকে ক্ষতিগ্রস্ত না করে অতিরিক্ত ফসল হিসেবে আর কোথায় কোথায় এসব ফসলের উৎপাদন করা যায়, এসব খুঁজে বের করতে একটি কর্মপরিকল্পনা নিয়েছে কৃষি মন্ত্রণালয়। ওই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা গেলে আগামী তিন-চার বছরের মধ্যে ভোজ্যতেলের চাহিদার ৪০ ভাগ স্থানীয়ভাবে উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

সভায় কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘আমরা আমদানির অর্ধেকও উৎপাদন করতে পারি কি না, সেটা দেখতে হবে, আমাদের সে সক্ষমতা রয়েছে। কোথায় কোথায় শর্ষের উৎপাদন বাড়ানো যায়, সেটা নির্ধারণ করতে হবে। এক্সটেনশন সিস্টেম ডেভেলপ করতে হবে, যাতে দ্রুত এর উৎপাদন বৃদ্ধি পায়।’

আব্দুর রাজ্জাক আরও বলেন, সরকার গবেষণার জন্য পর্যাপ্ত বরাদ্দ দিচ্ছে। এ টাকা দিয়ে কী মানের গবেষণা হচ্ছে, কোন কোন জার্নালে প্রকাশিত হচ্ছে, সেগুলো মানসম্পন্ন কি না—এ বিষয়গুলো দেখা হবে। শুধু গবেষণা করলে হবে না, মাঠপর্যায়ে তা কী ফলাফল বয়ে আনছে, সে বিষয়টি বিবেচনা করতে হবে।

পেঁয়াজের উদাহরণ দিয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, কদিন আগেই পেঁয়াজের ভরা মৌসুমে কৃষকেরা দাম পাচ্ছিলেন না। এখন একটু দাম বাড়ার কারণে কৃষকেরা একটু মূল্য পাচ্ছেন। কৃষককে দাম পাওয়ানোর জন্যই আমদানি কিছুটা বন্ধ রাখা হয়েছে। কারণ, কৃষকেরা উৎপাদন খরচ তুলতে না পারলে আগামী বছর পেঁয়াজ চাষে আগ্রহী হবেন না।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কৃষিসচিব মো. সায়েদুল ইসলাম বলেন, দেশে এখনো গবেষণা সরকারি পর্যায়েই সীমাবদ্ধ। বিদেশে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাতেরও ভূমিকা আছে। বেসরকারি খাতেও গবেষণা বাড়াতে হবে।

বিএআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান শেখ মো. বখতিয়ারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কৃষি গবেষণা ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক জীবন কৃষ্ণ বিশ্বাস।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন