চাতলপাড় এলাকার রতন মিয়া (১৮) বলেন, পাঁচ দিন ধরে সর্দি-কাশি ও জ্বরে ভুগছেন তিনি। বন্যায় ফার্মেসি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এত দিন চিকিৎসা ও ওষুধ নিতে পারেননি।

আজ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বঙ্গবন্ধু হাই–টেক পার্কে গিয়ে দেখা যায়, ব্যবস্থাপনার সুবিধার্থে সেখানে তিনটি বুথ করা হয়েছে। একটিতে চিকিৎসা নিতে আসা বন্যার্ত মানুষদের নিবন্ধন করা হচ্ছে। দ্বিতীয় বুথটিতে একজন নারী চিকিৎসকসহ চারজন চিকিৎসক রোগী দেখছেন। আর তৃতীয় বুথটি থেকে ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী রোগীদের ওষুধপথ্য দেওয়া হচ্ছে।

সিলেট চেম্বার অব কমার্স এবং সিলেট প্রাইভেট হসপিটাল অ্যাসোসিয়েশনের সহযোগিতায় ইবনে সিনা সিলেট লিমিটেড এই চিকিৎসা ক্যাম্পের আয়োজন করেছে। সেখানে নারী ও পুরুষের জন্য দুটি পৃথক সারি করা হয়েছে। দুপুর ১২টার দিকে নিবন্ধন ও চিকিৎসক দেখানোর অপেক্ষায় ছিলেন প্রায় আট শ বন্যার্ত মানুষ। সকাল থেকে দুই শতাধিক মানুষকে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়েছে বলে জানান দায়িত্বরত ব্যক্তিরা।

default-image

সেনাবাহিনীর কোম্পানীগঞ্জ ক্যাম্প কমান্ডার মেজর মুকতাদির প্রথম আলোকে বলেন, চিকিৎসা ক্যাম্পের শৃঙ্খলা রক্ষার সার্বিক দায়িত্বে এখানে ২০ সেনাসদস্য দায়িত্ব পালন করছেন।

সিলেট ইবনে সিনার চিফ মেডিকেল অফিসার মেজর (অব.) আবদুস সালাম চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ—সবই বিনা মূল্যে দেওয়া হচ্ছে। বেশির ভাগ রোগী পেটব্যথা, পাতলা পায়খানা, সর্দি-কাশি, মাথাব্যথা, কাটাছেঁড়া—এসব সমস্যা নিয়ে আসছেন। অনেকের কাটাছেঁড়ায় ইতিমধ্যে পচন ধরেছে। শিশুদের অনেকেই নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন