এক ছেলে মালয়েশিয়া যাওয়ার পথে নিখোঁজ। আরেক ছেলে চলমান নাশকতার আগুনে পুড়ে দগ্ধ। দুই ছেলের এমন পরিণতি সইতে পারেননি আমির আলী সিকদার। পুত্রশোকে চিরতরে চলে গেলেন এই হতভাগ্য বাবা।
গত শুক্রবার রাতে নিজ বাড়িতে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান আমির আলী (৬৩)। তাঁর গ্রামের বাড়ি ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার আজিমনগর ইউনিয়নের ব্রাহ্মণপাড়ায়।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ২৯ জানুয়ারি ভোরে অবৈধভাবে মালয়েশিয়া যাওয়ার পথে কক্সবাজারের কুতুবদিয়া চ্যানেলে ট্রলারডুবির ঘটনায় নিখোঁজ হন আমির আলীর সেজো ছেলে সজীব।
ছেলে নিখোঁজ হওয়ার খবরে প্রায় পাগলের মতো আচরণ শুরু করেন আমির আলী। সজীবের খোঁজে মেজো ছেলে আরিফকে পাঠান কক্সবাজারে। আরিফ কক্সবাজার থেকে বাসযোগে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে ৩ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পেট্রলবোমা হামলায় দগ্ধ হন তিনি। ওই বাসের সাত যাত্রী মারা গেছেন। আরিফ বেঁচে গেলেও দগ্ধ হয়ে এখন ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটে ভর্তি। তাঁর তিন বছরের একটি ছেলে রয়েছে।
আরিফের চাচাতো ভাই পল্লিচিকিৎসক আয়নাল সিকদার জানান, এক ছেলে নিখোঁজ, অপর ছেলে দগ্ধ—এ দুই ঘটনায় প্রচণ্ড মানসিক আঘাত পান তাঁর চাচা।

বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন