বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অভিজ্ঞতা বলছে, জ্বালানি তেলের দাম বাড়লে পরিবহনের ভাড়া আনুপাতিক হারে বৃদ্ধির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং বেশি হারে ভাড়া বাড়ান পরিবহনমালিকেরা। আর নিত্যপণ্যের বাজার ও পরিবহন খাতে সরকারের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। তাই আগামী দিনগুলোতে তেলের দাম কমে গেলেও ভাড়া কমানোর নিশ্চয়তা নেই। জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়ার পর মানুষের দুর্ভোগ বেড়ে গেলে সরকার কীভাবে পরিস্থিতি সামাল দেবে!

কর বাবদ বিপিসির কাছ থেকে সরকার প্রতিবছর হাজার হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আয় করছে। তাই বিপিসি কোনো উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করলে সেখানে তো সরকারি বিনিয়োগ থাকার কথা। অথচ বিপিসির টাকা প্রয়োজনে সরকার বিভিন্ন খাতে খরচ করছে। নিজস্ব অর্থায়নে প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে বলা হচ্ছে বিপিসিকে। দুই বছর ধরে বিপিসির উদ্ধৃত অর্থও নিয়ে নিচ্ছে সরকার। এতে বিপিসির কাছে বাড়তি কোনো টাকা থাকছে না।

সরকার যেহেতু বিপিসির কাছ থেকে টাকা নিয়ে নিয়েছে, তাই দায়িত্ব এখন সরকারের। বিপিসির তহবিলে টাকা থাকলে দাম না বাড়াতে তাদের চাপে রাখা যেত। তারাও পরিস্থিতি সামাল দিতে পারত। বিপিসির কাছ থেকে পাওয়া রাজস্ব দুর্দিনের জন্য আলাদা তহবিলে রাখতে পারত সরকার। তা করা হয়নি। এখন জ্বালানি খাতে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে অন্য খাত থেকে এনে হলেও সরকার ভর্তুকি দিতে পারে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন