বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জন্মবিরতিকরণ বড়ির অসুবিধা

  • এটি নিয়মিত সেবন করতে হয়। তাই অনেক ক্ষেত্রে দুটির অধিক বড়ি খেতে ভুলে গেলে অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভসঞ্চার হতে পারে।

  • স্তন্যদানকারী মায়েরা খেলে বুকের দুধের পরিমাণ কমে যেতে পারে।

  • জন্মবিরতিকরণ বড়ির হরমোনের প্রভাবে অনেকে বমি বমি ভাব, মাথাব্যথা, বিষণ্নতা, খিটখিটে মেজাজ, স্তনে চাকা ইত্যাদি নানা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার সম্মুখীন হন।

  • যৌনবাহিত রোগের সংক্রমণের ক্ষেত্রে এটি কনডমের মতো বাধা সৃষ্টি করতে পারে না।

  • আগের প্রচলিত বড়িগুলোতে হরমোনের পরিমাণ বেশি থাকার দরুন স্থূলতা, উচ্চ রক্তচাপ ও রক্তে কোলেস্টরলের মাত্রা বৃদ্ধি পেত। কিন্তু বর্তমানে চতুর্থ প্রজন্মের অল্প মাত্রার জন্মবিরতিকরণ বড়িগুলো বরং স্থূলতা, রক্তচাপ ও রক্তের চর্বির মাত্রা হ্রাসে সাহায্য করে।

কাদের জন্মবিরতিকরণ বড়ি গ্রহণ নিষেধ

  • নারীর বয়স ৩৫ বছরের অধিক হলে।

  • স্তন্যদানকারী মা।

  • যাঁদের উচ্চ রক্তচাপ ও রক্তে চর্বির মাত্রা বেশি।

  • যাঁদের ধমনি ও শিরায় রক্ত জমাট বাঁধার প্রবণতা ও রোগ রয়েছে।

  • যাঁদের মস্তিষ্কে রক্তক্ষয়, স্ট্রোক ও হৃদ্‌রোগের ইতিহাস রয়েছে।

  • যাঁদের মাথাব্যথা ও মাইগ্রেনের উপসর্গ রয়েছে।

  • যাঁরা স্তন ক্যানসার ও এস্ট্রোজেন হরমোনের ওপর নির্ভরশীল টিউমারের রোগী।

  • জন্ডিস ও যকৃতের টিউমারে আক্রান্ত রোগী।

  • যাঁরা অনিয়ন্ত্রিত বহুমূত্র রোগ এবং এ–সংক্রান্ত জটিলতায় ভুগছেন।

  • যাঁরা ধূমপান করেন।

সুতরাং চিকিৎসকদের নির্দেশনায় গ্রহণ করলে জন্মবিরতিকরণ বড়ি সবচেয়ে সহজ ও নির্ভরযোগ্য একটি পদ্ধতি।

ডা. ফারজানা শারমিন : সহকারী অধ্যাপক, স্ত্রীরোগ ও প্রসূতিবিদ্যা বিভাগ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন