বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে ইউএসএআইডির ডেপুটি অ্যাডমিনিস্ট্রেটর (পলিসি অ্যান্ড প্রোগ্রামিং) ইসোবেল কোলম্যান এবং ইনডিপেনডেন্ট ইনভেস্টিগেটিভ মেকানিজম অন মিয়ানমারের (আইআইএমএম) প্রধান নিকোলাস কোয়ামজিয়ানের নেতৃত্বে দুটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান প্রতিমন্ত্রী।

প্রতিমন্ত্রী এনামুর রহমান বলেন, কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের ব্যবস্থাপনায় ডেপুটি অ্যাডমিনিস্ট্রেটর ইসোবেল কোলম্যান সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তিনি ভাসানচরের বিষয়ে কয়েকটি পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন। তা হলো জরুরি রোগী হলে ভাসানচর থেকে চট্টগ্রাম অথবা নোয়াখালী পাঠাতে হয়, এ জন্য সেখানে একটি উন্নত মানের হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করতে পরামর্শ দিয়েছেন।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের বিষয়ে তারা কী বলছে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘তারা বলছে, পৃথিবীর প্রায় ৫০ লাখ শরণার্থী আছে। এর সঙ্গে ইউক্রেনের প্রায় ৭০ লাখ শরণার্থী যোগ হয়েছে, তারা এদের নিয়ে কাজ করছে। অন্যান্য শরণার্থীশিবিরে যেভাবে কাজ করছে, এখানেও সেভাবে কাজ করবে। দ্রুত তাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠাতে চাপ তৈরি করবে। নিকোলাসও বলেছেন, এটার সমাধান হলো প্রত্যাবর্তন।’

মিয়ানমারের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় উদ্যোগের কী অবস্থা, এমন প্রশ্নে এনামুর রহমান বলেন, ‘এটা নিয়ে গত মাসে একটি সভা হয়েছে। সেখানে নাগরিকদের একটি তালিকা দেওয়া হয়েছে, মিয়ানমার সেটা গ্রহণ করেছে। এটি প্রক্রিয়াধীন।’

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন