বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়—এটাই ছিল বঙ্গবন্ধুর লক্ষ্য। কারণ, এতেই শান্তি আসবে। শান্তির সন্ধানেই তিনি ছিলেন। শান্তির জন্যই তিনি সংগ্রাম করেছেন। আর শান্তি ছাড়া কখনো কোনো দেশের উন্নতি হয় না।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘এটা আমরা খুব ভালো বুঝি, একটা শান্তিপূর্ণ পরিবেশেই উন্নতি হওয়া সম্ভব।’

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আজ এখানে একটি বৃক্ষ রোপণ করা হলো সেই সেপ্টেম্বর মাসে, যে মাসে জাতিসংঘ বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় এবং তারপরই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতিসংঘে আসেন। এখানে বাংলায় ভাষণ দেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘কাজেই সেই মাসে জাতিসংঘ সদর দপ্তরের উত্তরের লনের বাগানে বৃক্ষ রোপণ করা হলো এবং একটি চেয়ার উৎসর্গ করা হলো। এই বৃক্ষও শতবর্ষের ওপর টিকে থাকবে এবং শান্তির বারতাই বয়ে বেড়াবে।’

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বৃক্ষ যেমন পরিবেশ রক্ষা করে, তেমনি মানুষকে খাদ্য ও ছায়া দেয়। মানুষের জীবনকেও রক্ষা করে। এ জন্য তিনি জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি, জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধিসহ প্রবাসী বাংলাদেশিদের ধন্যবাদ জানান।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানের অংশগ্রহণে জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক রুদ্ধদ্বার বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন।

প্রধানমন্ত্রী গত রোববার জাতিসংঘের ৭৬তম অধিবেশনে যোগদানের জন্য ফিনল্যান্ডের রাজধানী হেলসিংকি হয়ে নিউইয়র্ক পৌঁছান।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন