default-image

এর আগে সকাল সোয়া আটটার দিকে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে গিয়ে দেখা যায়, মূল গেটের সামনে মানুষের দীর্ঘ সারি। সারিবদ্ধভাবে মুসল্লিরা জাতীয় ঈদগাহে ঢুকছেন। ভেতরে হাজার হাজার মুসল্লিতে ঠাসা ময়দানের এপার-ওপার। কোথাও এক হাত জায়গা নেই দাঁড়ানোর বা বসার। জায়গা না পেয়ে মানুষ কদম ফোয়ারার সামনের সড়ক, হাইকোর্টের মূল গেটের সামনে, তোপখানা সড়কের একাংশে নামাজে দাঁড়িয়ে যান।

default-image

সকাল সাড়ে আটটায় ঈদের প্রধান জামাত শুরু হয়। ঈদ জামাতের ইমামতি করেন জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি রুহুল আমীন। জাতীয় ঈদগাহের ঈদের নামাজের মোনাজাতে দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য দোয়া, দেশের মানুষের সুস্থতা কামনা করা হয়। মোনাজাত শেষ হওয়ার খানেক বাদেই শুরু হয় হালকা বৃষ্টি।

default-image

করোনা মহামারির কারণে দুই বছর জাতীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজ আদায় বন্ধ ছিল। এবার সে আয়োজন আবার সবার জন্য উন্মুক্ত হয়। এতে খুশি হন সবাই। নামাজ শেষে দুই সন্তানের সঙ্গে কোলাকুলি করছিলেন রাজধানীর শান্তিনগরের বাসিন্দা ওবায়দুল হক। তিনি বলেন, প্রতিবছর এ ময়দানেই তিনি ঈদের নামাজ পড়েন। তিনি বলেন, ‘গত দুই বছর জাতীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজ হয়নি বলে মন কিছুটা খারাপ ছিল। করোনার দুই বছর সুস্থ থেকে টিকে আছি, এটাই প্রাপ্তি। দুই ছেলেকে নিয়ে এখানে আবার নামাজ আদায় করতে পারলাম। সৃষ্টিকর্তার কাছে লাখো শুকরিয়া।’

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন