জাতীয় শোক দিবসে মানতে হবে যেসব স্বাস্থ্যবিধি

বিজ্ঞাপন

আগামী ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে একটি নির্দেশিকা প্রণয়ন করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। এতে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন অনুষ্ঠান, আলোচনা বা মিলাদে আসা সবাইকে বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক পরা ও নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রাখাসহ বেশ কিছু বিধিনিষেধ ঠিক করে দেওয়া হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এই নির্দেশনা জারি করেছে। স্থানীয় প্রশাসন, স্বাস্থ্য বিভাগ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নির্দেশনাগুলো যথাযথভাবে পালন করতে হবে।
১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী। প্রতিবছর বাঙালি জাতি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে দিনটি পালন করে।

নির্দেশনা অনুযায়ী শ্রদ্ধাজ্ঞাপন অনুষ্ঠানস্থলের প্রবেশ ও বের হওয়ার পথ পৃথক ও নির্দিষ্ট করতে হবে, শ্রদ্ধাজ্ঞাপন স্থানে একসঙ্গে ১৫ থেকে ২০ জনের বেশি মানুষ প্রবেশ করতে পারবেন না। আগত ব্যক্তিরা নির্দিষ্ট দূরত্ব (তিন ফুট) বজায় রেখে সারিবদ্ধভাবে প্রবেশ করবেন এবং শ্রদ্ধাজ্ঞাপন শেষে বের হয়ে যাবেন। সম্ভব হলে পুরো পথপরিক্রমাটি গোল চিহ্ন দিয়ে নির্দিষ্ট করা যেতে পারে।

সমাবেশে আসা সবার মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক। প্রবেশপথে হ্যান্ড স্যানিটাইজার সরবরাহ ও ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। কারও সর্দি, কাশি, জ্বর বা শ্বাসকষ্ট থাকলে অনুষ্ঠানে আসা যাবে না। হাঁচি বা কাশির সময় টিস্যু, রুমাল বা কনুই দিয়ে নাক ও মুখ ঢাকতে হবে। ব্যবহৃত টিস্যু ও বর্জ্য ফেলার জন্য পর্যাপ্ত ঢাকনাযুক্ত বিনের ব্যবস্থা থাকতে হবে এবং জরুরিভাবে তা অপসারণের ব্যবস্থা করতে হবে।

আলোচনা বা মিলাদে জনসমাগম যথাসম্ভব কম রাখতে হবে। অনুষ্ঠানস্থল বা কক্ষের আয়তনের ওপর লোকসংখ্যার উপস্থিতি নির্ধারণ করতে হবে। মাস্ক ছাড়া কাউকে অনুষ্ঠান প্রাঙ্গণে প্রবেশ করতে দেওয়া যাবে না। প্রবেশপথে সাবানপানি দিয়ে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা করা যেতে পারে, সম্ভব না হলে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের সরবরাহ ও ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে বসার ব্যবস্থা করতে হবে। প্রয়োজনে বসার স্থানটি নির্দিষ্ট করে দিতে হবে। আর জরুরি বর্জ্য অপসারণের ব্যবস্থা করতে হবে।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0
বিজ্ঞাপন