বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আদালত আরও বলেন, অতিরিক্ত সময়ে যাওয়া–আসা বা বাংলাদেশে অবস্থানের খরচ মা নিজে বহন করবেন। শিশুদের বাবা মাসে অন্তত দুবার ছুটির দিনে শিশুসন্তানদের সঙ্গে তাদের মায়ের ভিডিও কলের মাধ্যমে কথা বলা নিশ্চিতের ব্যবস্থা করবেন।
আদালত বলেছেন, গত কয়েক মাসে বাংলাদেশে অবস্থান ও যাতায়াত খরচ বাবদ আগামী সাত দিনের মধ্যে শিশুদের বাবা তাদের মাকে বাংলাদেশি মুদ্রায় ১০ লাখ টাকা দেবেন।

দুই শিশুকে ফিরে পেতে শিশুদের মায়ের করা রিটটি চলমান তদারকিতে থাকবে বলে উল্লেখ করেছেন আদালত। তৃতীয় সন্তানকে ফিরে পেতে শিশুদের বাবার করা রিটটি সরাসরি খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট।

আদালত বলেছেন, রিটটি (শিশুদের মা) চূড়ান্ত নিষ্পত্তির আগে যেকোনো পক্ষ আদালতের এই আদেশ প্রতিপালিত না হলে বা অন্য কোনো আদেশ চেয়ে আদালতে আসতে পারবেন। সংশ্লিষ্ট সমাজসেবা কর্মকর্তা দুই শিশুর দেখভাল অব্যাহত রাখবেন। প্রতি তিন মাস পর শিশুদের বিষয়ে হাইকোর্টের রেজিস্ট্রার বরাবর প্রতিবেদন দাখিল করবেন।

২০০৮ সালের ১১ জুলাই এরিকো নাকানো ও ইমরানের বিয়ে হয়। তাঁদের তিন মেয়েসন্তান। গত ১৮ জানুয়ারি এরিকোর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন করেন ইমরান। এরপর ২১ ফেব্রুয়ারি দুই মেয়েকে নিয়ে বাংলাদেশে চলে আসেন তিনি। পরে ছোট মেয়েকে তার নানির কাছে রেখে গত ১৮ জুলাই বাংলাদেশে আসেন এরিকো নাকানো। ইমরানের কাছ থেকে ১০ ও ১১ বছর বয়সী দুই মেয়েশিশুকে ফিরে পেতে ঢাকায় এসে গত ১৯ আগস্ট রিট আবেদন করেন তিনি। পরে ছোট মেয়েকে ফিরে পেতে আরেকটি রিট আবেদন করেন ইমরান।

এরিকো নাকানো ও ইমরানের পৃথক রিটের ওপর গত ৩১ অক্টোবর শুনানি শেষ হয়। আজ আদেশ দেন আদালত। এর আগে উচ্চ আদালতের আদেশ অনুসারে দুই শিশু তাদের মা এরিকোর সঙ্গে গুলশানের বাসায় ছিল। শিশুদের বাবা ইমরান দিনের বেলায় তাদের সঙ্গে দেখা করতে ও সময় কাটাতে পারতেন।

আদালতে এরিকো নাকানোর পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। ইমরানের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ফিদা এম কামাল ও ফাওজিয়া করিম ফিরোজ।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন