প্রথম আলোকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অমল কৃষ্ণ দে। তিনি বলেন, আদালতের অনুমতি নিয়ে বরকতকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। দুই দিনের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ১৫ এপ্রিল সাজ্জাদকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে ভুয়া তথ্য দিয়ে উচ্চ আদালতে জামিন আবেদন করেছিলেন তিনি।

সুপ্রিম কোর্টে জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে কাগজপত্র জমা দেওয়ার অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টের সহকারী রেজিস্ট্রার মো. জাকির হোসেন পাটোয়ারী বাদী হয়ে গত ১৪ মার্চ সাজ্জাদ হোসেন বরকত ও তাঁর সহযোগী সুরুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

মামলায় বলা হয়, উচ্চ আদালতে জামিন চেয়ে আবেদন করেন বরকত। আদালতে জমা দেওয়া কাগজপত্রে বলা হয়, যে মামলায় বরকত জামিন চেয়েছেন, সেই মামলায় তাঁর ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি নেই। এই তথ্য দেখার পর সন্দেহ হয় আদালতের। পরে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল (ডিএজি) আদালতকে জানান, সাজ্জাদ হোসেন বরকত যে মামলায় জামিন চেয়েছেন, সেই মামলায় তাঁর স্বীকারোক্তি রয়েছে।

মামলায় আরও বলা হয়, সাজ্জাদের সহযোগী সুরুজ্জামান আদালতের কাছে ভুয়া কাগজপত্র তৈরির কথা স্বীকার করেছেন। বরকতের জামিনের জন্য আদালত ও আইনজীবীর সিল জালিয়াতি করে ভুয়া তথ্যসংবলিত কাগজপত্র তৈরি করেছেন তিনি।

এই মামলায় সুরুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি বর্তমানে কারাগারে।

ফরিদপুরে চাঁদাবাজির মামলায় ২০২০ সালের ৭ জুন গ্রেপ্তার হন সাজ্জাদ হোসেন বরকত। সাজ্জাদ ও তাঁর ভাই ইমতিয়াজ হাসান রুবেলসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের মামলা বিচারাধীন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন