default-image

রাজধানীর শাজাহানপুরে পাইপে পড়ে নিহত শিশু জিহাদের পরিবারকে ৩০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ কেন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল দিয়েছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে আজ রোববার এ রুল দেন।
স্বরাষ্ট্রসচিব, রেলওয়েসচিব, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মহাপরিচালক, রেলওয়ের মহাপরিচালক, ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের পরিচালক (অপরারেশন অ্যান্ড মেনটেইনেন্স), ওয়াসার চেয়ারম্যান, দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক, ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনারসহ বিবাদীদের চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
একই সঙ্গে পয়োনিষ্কাশন পাইপে ও অরক্ষিত গর্তে কেউ পড়ে গেলে দ্রুত কার্যকরভাবে উদ্ধার করতে গত দুই বছরে ফায়ার সার্ভিস কী ধরনের জীবনরক্ষাকারী যন্ত্রপাতি ক্রয় করেছে এবং প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষতা অর্জন করেছে—সেসব বিষয়ে আদালতে দুই মাসের মধ্যে হলফনামা আকারে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।
গত ২৭ ডিসেম্বর রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাধানে পরিচালিত পানির পাম্পের পাইপে পড়ে শিশু জিহাদ। ২৩ ঘণ্টা চেষ্টার পর উদ্ধার হয় সে। তবে জীবিত নয়, মৃত। শিশুটি উদ্ধারে অবহেলার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২৮ ডিসেম্বর শিশু অধিকার রক্ষাবিষয়ক সংগঠন চিলড্রেনস চ্যারিটি বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের (সিসিবি ফাউন্ডেশন) পক্ষে আইনজীবী আবদুল হালিম রিট আবেদনটি করেন।

আজ আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী আবদুল হালিম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আমাতুল করীম ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল নুসরাত জাহান ও বিলকিস ফাতেমা।

রুলে শিশুটির মৃত্যুতে বিবাদীদের অবহেলা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না এবং ফায়ার সার্ভিস, ওয়াসা, রেলওয়ে কতৃ‌র্পক্ষের সারা দেশে কতগুলো অরক্ষিত পাইপ, ঢাকনাবিহীন পাইপ, গর্ত, ম্যানহোল, পয়োনিষ্কাশন পাইপ আছে, সেই তালিকা তৈরি করতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না—রুলে তা-ও জানতে চাওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন