বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নূরে আলম বলেন, ‘সেদিন কী হয়েছিল, কেন তাঁদের হত্যা করা হয়েছিল, তাঁদের দোষ বা অপরাধ কী ছিল, সন্তান হিসেবে আমি জানতে চাই। বাবাকে কোথায় কবর দেওয়া হলো—তা আমরা এখনো জানতে চাই।’

অনুষ্ঠানে কথা হয় বিমানবাহিনীর সদস্য ৬৯ বছর বয়সী সৈয়দ কামরুজ্জামানের সঙ্গে। ওই সামরিক আদালতে প্রথমে তাঁর মৃত্যুদণ্ড, পরে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘সারা রাত বিমানবন্দরে ডিউটি করে সেদিন সকালে আমি ব্যারাকে ফিরছিলাম। আমাকে চেয়ারবাড়ি থেকে হুট করে ধরে নিয়ে যায়। তারপর ১০ অক্টোবরে সামরিক আদালতে আমাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।’

সৈয়দ কামরুজ্জামান আরও বলেন, ‘পরে ১৯৮৪ সালের জুলাই মাসে রাষ্ট্রপতির আদেশে আমার মুক্তি হয়। অথচ আজও আমি জানি না, আমার কী অপরাধ ছিল। আমি এ ঘটনায় জিয়াউর রহমানের বিচার চাই।’

অনুষ্ঠানে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী বলেন, ১৯৭৭ সালের ২ অক্টোবর ওই সামরিক আদালতের বিচারের ঘটনায় ফাঁসি হয়েছে আগে। ফাঁসি দেওয়ার পর রায় দেওয়া হয়েছে। অথচ এমন নজির বিশ্বের কোথাও নেই। জিয়াউর রহমানের মৃত্যু–পরবর্তী ফাঁসির দাবি জানান তিনি।

অনুষ্ঠান থেকে সাত দফা দাবি জানানো হয়। অন্যতম দাবিগুলো হলো ১৯৭৭ সালের ২ অক্টোবর ফাঁসি, কারাদণ্ড ও চাকরিচ্যুত সেনা এবং বিমানবাহিনীর সদস্যদের তালিকা করা, তাঁদের নির্দোষ ঘোষণা করা, তাঁদের প্রত্যেককে সর্বোচ্চ র‌্যাঙ্কে পদোন্নতি দেখিয়ে বেতন–ভাতা, পেনশনসহ সব সরকারি সুযোগ দেওয়া এবং ওই ঘটনায় নিহত ব্যক্তিদের শহীদ ঘোষণা করা।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন