default-image

অস্ত্র মামলায় প্রভাবশালী ঠিকাদার জি কে শামীম ও তাঁর সাত দেহরক্ষীর বিরুদ্ধে আজ বুধবার দুই পুলিশ কর্মকর্তা আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। তাঁরা হলেন মামলার বাদী ও র‍্যাব-১-এর তৎকালীন নায়েব সুবেদার মিজানুর রহমান এবং উপপরিদর্শক (এসআই) কমল কুমার সাহা। আগামী ১০ ডিসেম্বর মামলার পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ঠিক করেছেন আদালত। ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. রবিউল আলম এই আদেশ দেন। এর আগে জি কে শামীমসহ তাঁর সাত দেহরক্ষীকে আদালতে হাজির করা হয়।

ওই আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) সালাউদ্দিন আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, আসামি জি কে শামীমের বিরুদ্ধে অস্ত্র মামলায় দুজন পুলিশ কর্মকর্তা সাক্ষ্য দিয়েছেন। এই মামলার মোট সাক্ষীর সংখ্যা ১৭।

বিজ্ঞাপন

গত ২৬ ফেব্রুয়ারি এই অস্ত্র মামলায় জি কে শামীমসহ আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। গত বছরের ২৭ অক্টোবর জি কে শামীমসহ তাঁর সাত দেহরক্ষীর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় র‍্যাব। এ ছাড়া গত নভেম্বর অর্থ পাচারের আরেকটি মামলায় জি কে শামীম ও তাঁর সাত দেহরক্ষীর বিরুদ্ধে বিচার শুরু করেছেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০।

মামলার অভিযুক্ত অপর সাত আসামি হলেন জি কে শামীমের দেহরক্ষী দেলোয়ার হোসেন, মুরাদ হোসেন, জাহিদুল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম, কামাল হোসেন, সামসাদ হোসেন ও আমিনুল ইসলাম।

অস্ত্র মামলায় দেওয়া অভিযোগপত্রে বলা হয়, জি কে শামীম একজন চিহ্নিত চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ, অবৈধ মাদক এবং জুয়ার ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত। তাঁর সহযোগীরা উচ্চ বেতনভোগী দুষ্কর্মের সহযোগী। তাঁরা অস্ত্রের লাইসেন্সের শর্ত ভঙ্গ করে প্রকাশ্যে এসব অস্ত্র বহন ও প্রদর্শন করেছেন। এর মাধ্যমে জনমনে ভীতি সৃষ্টি করে বিভিন্ন ধরনের টেন্ডারবাজি, মাদক ব্যবসাসহ স্থানীয় বাস টার্মিনাল ও গরুর হাটবাজারে চাঁদাবাজি করে আসছিলেন। আসামি শামীম অস্ত্রের শর্ত ভঙ্গ করে ক্ষমতার অপব্যবহার করে মাদক ব্যবসা ও মানি লন্ডারিং করে আসছিলেন।

গত বছরের ২০ সেপ্টেম্বর রাজধানীর গুলশান এলাকা থেকে গ্রেপ্তার হন জি কে শামীম। তাঁর বিরুদ্ধে মাদক, অর্থ পাচার ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে আরও তিনটি মামলা রয়েছে।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0