বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের কর্মকর্তা মো. ওবাইদুল্লা বলেন, শনিবার সকালে ওই নারীকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। ওই গৃহবধূর স্বামী পরিচয়ে এক ব্যক্তি হাসপাতালে লাশ রেখে কৌশলে পালিয়ে যান। পরে হাসপাতাল থেকে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ এসে লাশটি মর্গে পাঠানোর ব্যবস্থা করে।

নিহত কাকুলির বড় ভাই মনোরঞ্জন মোহন্ত বলেন, আড়াই বছর আগে কাকুলির সঙ্গে কল্লোলের বিয়ে হয়। বিয়ের পর জানা যায়, কল্লোল জুয়া ও মাদকে আসক্ত। কল্লোল ও তাঁর পরিবারের লোকজন কাকুলিকে যৌতুকসহ বিভিন্ন কারণে প্রায়ই শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন। মাদক সেবন ও জুয়া খেলার টাকার জন্য তাঁর বোনকে চাপ দিতেন। গতকাল রাতে জুয়া খেলার জন্য কাকুলি রানীর কাছে টাকা চান কল্লোল। কাকুলি টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তাঁকে পেটানো শুরু করেন কল্লোল। একপর্যায়ে তাঁর মৃত্যু হয়। পরে কল্লোল তাঁর লাশ গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান।

সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার রায় বলেন, এ ঘটনায় নিহত গৃহবধূর বাবা চিত্তরঞ্জন মোহন্ত থানায় হত্যা মামলা করেছেন। মামলায় কল্লোল চন্দ্র মোহন্তের নাম উল্লেখ করে আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন