default-image

মেহেরপুর গাংনী উপজেলায় জোড়া খুনের দায়ে ২০ বছর পর পাঁচ আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এস এম আবদুস ছালাম সোমবার দুপুরে এই রায় দেন।

আসামিরা হলেন উপজেলার এলাঙ্গী গ্রামের বজলুর রহমান, শহিদুল ইসলাম, ওহিদুল ইসলাম, আবদুল মজিদ ও ইয়াহিয়া আলী।

খুনের শিকার ব্যক্তিরা হলেন দিরাজ উদ্দীন ও আক্তার। দিরাজ ও আক্তার একই এলাকার বাসিন্দা। এর মধ্যে আক্তার এলাঙ্গী গ্রামের ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদ্যস্য ছিলেন।

মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পল্লব ভট্টাচার্য রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ থেকে জানা গেছে, এলাঙ্গী গ্রামের দুটি বিলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে খুনের শিকার ও সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের মধ্যে বিরোধ ছিল। এর ধারাবাহিকতায় ১৯৯৯ সালের ১৩ জানুয়ারি রাতে দিরাজ উদ্দীন, তাঁর ভাই হিরাজ উদ্দীন ও ইউপি সদস্য আক্তারকে অপহরণ করা হয়। এরপর তাঁদের একটি মাঠের মধ্যে নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় কৌশলে হিরাজ অপহরণকারীদের কাছ থেকে পালাতে পারেন। পরের দিন পার্শ্ববর্তী চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলার বগাদী গ্রামের একটি মাঠ থেকে আক্তার ও দিরাজের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই দিন রাতেই গাংনী থানায় দিরাজের ভাই হিরাজ উদ্দীন বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা করেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০০০ সালের ৩০ জুন ৪০ ব্যক্তিকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। মামলায় ২২ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়।

মামলায় আসামিপক্ষের আইনজীবী ছিলেন এ কে এম শহিদুল ইসলাম।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0