বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সংবাদ সম্মেলনে ক্যাবের চেয়ারম্যান গোলাম রহমান জানান, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত আমলাতান্ত্রিক, রাজনৈতিক নয়। এখানে ব্যবসায়িক দিক বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে, সরকারের কাজ ব্যবসা করা নয়।

দাবি পূরণ না হলে ক্যাবের পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে জানতে চাইলে সংগঠনটির চেয়ারম্যান গোলাম রহমান জানান, যখন কেউ দাবির কথা শোনে না, তখন একমাত্র পথ হচ্ছে আইনের আশ্রয় নেওয়া।

গোলাম রহমান জানান, সরকার হাজার হাজার কোটি টাকা বিপিসির কাছ থেকে নিয়েছে। সেই টাকা দিয়ে আলাদা তহবিল করা হোক। আর তেলের দাম স্থিতিশীল রাখা হোক।

গোলাম রহমান আরও জানান, বাসভাড়া ২৭ ও লঞ্চভাড়া ৩৫ শতাংশ বেড়েছে। মালিকদের চাপের মুখে সরকার নতিস্বীকার করেছে।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ক্যাবের জ্বালানি উপদেষ্টা এম শামসুল আলম। তিনি ক্যাবের পক্ষ থেকে তিনটি প্রস্তাব তুলে ধরেন। এতে বলা হয়, প্রজ্ঞাপন বাতিল করে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাব বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) কাছে পাঠানো হোক। অথবা ডিজেল ও কেরোসিনের ১৫ টাকা মূল্যবৃদ্ধির প্রজ্ঞাপন পুনর্বিবেচনা করতে পারে বিইআরসি। জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও পুনর্বিবেচনার এখতিয়ার পুরোপুরি বিইআরসির।

তৃতীয় প্রস্তাবে ক্যাব বলছে, গত সাত বছরে ভোক্তার কাছ থেকে অবৈধভাবে ৪৩ হাজার ৭৩৪ কোটি টাকা বাড়তি আদায় করেছে বিপিসি। এ টাকা দিয়ে মূল্য স্থিতিশীল রাখার তহবিল গঠন করা যেতে পারে।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির মধ্যে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি বাজারকে অস্থির করে তুলবে, মানুষের দুর্ভোগ বাড়বে। এমনিতেই করোনার কারণে মানুষের আয় কমে গেছে।

সংবাদ সম্মেলনে স্থপতি মোবাশ্বার হাসান জানান, তেলের দাম বাড়ানোর পর পরিবহনভাড়া তো এমনিতেই বাড়াবে। তাহলে মাঝের তিন দিন মানুষকে অমানবিক দুর্ভোগ কেন দেওয়া হলো! মানুষকে বাড়তি টাকা খরচ করে পথে চলতে হয়েছে। তাই ক্ষতিপূরণের মামলা করার কথা ক্যাব বিবেচনা করতে পারে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন