বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জ্বালানি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান শেভরনের ভাইস প্রেসিডেন্ট জে প্রায়রের নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্র–বাংলাদেশ ব্যবসায়ী পরিষদের ২৭ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল শনিবার ৪ দিনের সফরে ঢাকায় পৌঁছেছে।

রাশিয়া–ইউক্রেন সংকটকে ঘিরে জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে কি না, এবং সংকট মোকাবিলায় প্রয়োজনে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে সহায়তা করবে কি না, সে প্রশ্ন করা হয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল মোমেনকে। জবাবে তিনি বলেন, ‘জ্বালানি তেলের সংকট নিয়ে আমাদের আলোচনা হয়েছে। তারা জ্বালানি নিরাপত্তার কথা তুলেছেন। জ্বালানি ইস্যু নিয়ে তাঁরা উদ্বিগ্ন। এটা হলে ভালো। তাহলে জ্বালানি খাতে আমরা অন্য সুযোগগুলোকে কাজে লাগাতে পারব। আমরা তাদের নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে সহায়তার কথা বলেছি। এই খাতে প্রযুক্তি ও অর্থায়নে তাদের সহযোগিতা চেয়েছি।’

default-image

মার্কিন প্রতিনিধিদলটি বিশেষ কোনো কোনো খাতে বিনিয়োগ করার কথা বলেছে কি না, জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা বলেছি, দেখেন আমরা তো উদীয়মান সূর্য (রাইজিং সান), যথেষ্ট সুযোগ এখানে আছে। ওষুধ শিল্প, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, সুনীল অর্থনীতিসহ অনেক ক্ষেত্রে বিনিয়োগের সুযোগ আছে। মার্কিন বিনিয়োগের ৯০ শতাংশ জ্বালানিতে। আমরা জ্বালানিতেও আরও বিনিয়োগ চাই। বিশেষ করে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে। এগুলো আগেও বলেছি। তাঁরা সরেজমিনে দেখতে এসেছেন। তাঁদের বলেছি, এখানে আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিযোগিতামূলক প্রক্রিয়ায় পণ্য উৎপাদন করতে পারবেন।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, মার্কিন ব্যবসায়ীরা তথ্যপ্রযুক্তিতে আগ্রহী। বাংলাদেশে সাড়ে ছয় লাখ ফ্রিল্যান্সার আছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশে বিনিয়োগের ব্যাপারে আগে তাদের তেমন আগ্রহ ছিল না। এখন আগ্রহ তৈরি হয়েছে। তাঁদের এই আগ্রহ যাতে থাকে, বাংলাদেশ সেটা নিশ্চিত করতে চায়। কারণ, বিনিয়োগ হলে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।

মার্কিন বাজারে বাংলাদেশের পণ্যের অগ্রাধিকারমূলক বাজার সুবিধা বাতিলের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার এবং শুল্ক ও কোটামুক্ত সুবিধা সম্পর্কে জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা রাজনৈতিকভাবে এটা (জিএসপি প্রত্যাহার) নিয়ে যত কথা বলি, টাকার দিক থেকে বিবেচনায় নিলে এটা বড় ইস্যু নয়।’

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন