বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

শহর ঘুরে দেখা গেছে, শহরের সাতমাথায় শেরপুর দই ঘর, আলহাজ মহরম আলী দই ঘর, আদি মহরম আলী দই ঘর, রফাত দই ঘর, চিনিপাতা দই, কবি নজরুল ইসলাম সড়কে ফুড ভিলেজ, আকবরিয়া গ্র্যান্ড হোটেল, শ্যামলী হোটেল, এশিয়া সুইটস, দইঘর, গৌরগোপালের দইঘরে প্রসিদ্ধ টক দই বিক্রি হচ্ছে। প্রতি হাঁড়ি টক দই (আনুমানিক ৫০০ গ্রাম) ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা এবং ফুটপাতে প্রতি হাঁড়ি টক দই ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

শহরের কাঁঠালতলা এলাকায় রেললাইনের ওপর মাটির হাঁড়িতে করে খোলা ঘোল বিক্রি করছেন বিক্রেতারা। ২৫০ গ্রামের ছোট হাঁড়ি বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকায়। এ ছাড়া শেরপুর দইঘরসহ বিভিন্ন দোকানে ২৫০ গ্রামের ঘোল ২৫, আধা লিটারের ঘোল ৫০ এবং ১ লিটার ঘোল ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

রফাত দইঘরের মালিক দুলাল হোসেন বলেন, গত বছরের চেয়ে এ বছর দুধের দাম বেড়েছে। উৎপাদন খরচও বেড়েছে। এ কারণে দাম কিছু বেড়েছে। বেচাবিক্রিও ভালো।
সাতমাথায় প্রসিদ্ধ টক দই কিনতে আসা শহরের মালতীনগর এলাকার সুইন চৌধুরী বলেন, ‘ঘোল’ ছাড়া ইফতার অপূর্ণই থেকে যায়। ইফতারের আয়োজনে যাই থাক, টক দইয়ের ঘোল থাকতেই হবে।

বগুড়ার প্রসিদ্ধ টক দইয়ের ঘোলের প্রচলন সম্পর্কে বলছিলেন কথাসাহিত্যিক বজলুল করিম বাহার। তিনি বলেন, ‘চল্লিশ-পঞ্চাশের দশকে শহরের ফতেহ আলী বাজারের রেললাইনের ওপর ঘোলের হাঁড়ি নিয়ে বসতেন ঘোষেরা। লোকজন সেই ঘোল কিনতে হুমড়ি খেয়ে পড়তেন। এক গ্লাস ঘোল ৫-১০ পয়সায় বিক্রি হতো। স্বাধীনতার পর ঐতিহ্যবাহী আকবরিয়া হোটেলে প্রসিদ্ধ ঘোল বিক্রি শুরু হয়। এখন ধনী-গরিব–অভিজাত সব পরিবারেই ইফতারের আয়োজনে টক দইয়ের প্রসিদ্ধ ঘোলের কদর বেড়েছে।’

তাঁর কথা, সারা দিন রোজা রাখার পর টক দইয়ের ঘোল পরিপূর্ণ তৃপ্তি মেটানো ছাড়াও হজমে সাহায্য করে। রোজাদারদের প্রশান্তি মেটাতে ঘোলের জুড়ি নেই।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন