মুন্সিগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলায় নিখোঁজ হওয়ার পাঁচ দিন পর গতকাল রোববার রঞ্জন রায় (২৫) নামের এক তরুণের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। উপজেলার নয়ানন্দ পোড়াবিলে একটি আলুর খেতে তাঁর লাশ পাওয়া যায়।
এ সময় লাশের পাশে ঘুমের ওষুধের তিনটি খালি পাতা, একটি মুঠোফোনের সেট, দুটি ইট ও ফলের জুসের একটি খালি বোতল উদ্ধার করা হয়। রঞ্জনের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন ছিল না। এ কারণে তিনি আত্মহত্যা করতে পারেন বলে ধারণা করছে পুলিশ।
রঞ্জন উপজেলার পুড়াপাড়া গ্রামের কাঠমিস্ত্রি সাধন রায়ের ছেলে। টঙ্গীবাড়ী সদরে ওষুধ বিক্রির ছোট একটি দোকান আছে তাঁর।
পরিবার ও গ্রামবাসীর বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, রঞ্জন ঠিকমতো ওষুধের দোকান খুলতেন না। ওষুধ বিক্রির টাকা মাদক সেবনে ব্যয় করতেন। গত মঙ্গলবার সকালে তিনি বাড়ি থেকে পাঁচ হাজার টাকা নিয়ে দোকানে যান। কিন্তু ওই দিন বিকেল থেকে তাঁর মুঠোফোন বন্ধ পেয়ে পরিবারের লোকজন বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ করেও সন্ধান পাননি। গতকাল দুপুর ১২টার দিকে স্থানীয় কৃষকেরা রঞ্জনের লাশ জমিতে পড়ে থাকতে দেখে থানায় খবর দেন। পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে টঙ্গীবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল মালেক জানান, সুরতহাল করার সময় রঞ্জনের শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, অতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ খেয়ে রঞ্জন আত্মহত্যা করেছেন। এ ঘটনায় তাঁর বাবা অপমৃত্যুর মামলা করেছেন। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন