বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জানতে চাইলে চমেক হাসপাতালের সহকারী পরিচালক মো. সাজ্জাদ হোসেন চৌধুরী বলেন, তাঁরা ১ হাজার ২০০ মানুষকে আজ টিকা নেওয়ার জন্য এসএমএস পাঠিয়েছেন। আটটি কেন্দ্রে টিকা দেওয়ার কাজ চলছে। এরপরও কেউ কেউ এসএমএস ছাড়া কিংবা অন্য কেন্দ্রের চলে এসেছেন। তাঁদের টিকা দেওয়া হয়নি। ১ হাজার ২৭৯ জনকে মডার্নার প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া জেনারেল হাসপাতালে ১ হাজার ৫০ জন, সিটি করপোরেশন জেনারেল হাসপাতালে ৭৫৯ জন, মোস্তফা হাকিম মাতৃসদনে ৯২৮ জন, বন্দরটিলা মাতৃসদনে ৪০৮ জন, ছাফা মোতালেব মাতৃসদনে ৫০০ জন, নৌবাহিনী হাসপাতালে ৫০০ জন, বিমানবাহিনী হাসপাতালে ১১০ জন, সিএমএইচে ৩২০ জন এবং বন্দর হাসপাতালে ২০০ জন টিকা নিয়েছেন। নগরের ১১টি কেন্দ্রের মধ্যে আজ পুলিশ লাইনস হাসপাতালে টিকা দেওয়া হয়নি। শহরে ৩ হাজার ৮৪৭ জন পুরুষ এবং ২ হাজার ২০৭ জন নারী।

অন্যদিকে উপজেলাগুলোতে চলছে সিনোফার্মের টিকা প্রয়োগ। তবে শহরের মতো গ্রামে ভিড় ছিল না। গণটিকাদানের প্রথম দিনে মোট টিকা দিয়েছেন ১ হাজার ৪৬৫ জন। এর মধ্যে নারী ৩৪২ ও পুরুষ ১ হাজার ১২৩ জন। সবচেয়ে বেশি ৩০৬ জন টিকা পান ফটিকছড়িতে। সবচেয়ে কম ২০ জন টিকা নিয়েছেন সন্দ্বীপে। পটিয়া ও রাউজানে আজ টিকা দেওয়া হয়নি। প্রস্তুতি না থাকায় তারা শুরু করতে পারেনি বলে জানা গেছে। কাল বুধবার থেকে টিকাদান শুরু করবে এই দুই উপজেলা।

জানতে চাইলে রাউজান উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. নূর আলম দীন প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমাদের একটা সমস্যার কারণে আজ (মঙ্গলবার) টিকা কার্যক্রম শুরু করতে পারিনি। কাল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করা হবে।’

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন