default-image

সরকার গত আট অর্থবছরে টিসিবিকে (ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ) ৩৯৩ কোটি টাকা ভর্তুকি দিয়েছে। আজ রোববার সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভায় টিসিবি থেকে এ তথ্য জানানো হয়। কমিটি টিসিবির কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে পরামর্শ করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুপারিশ করেছে।

বৈঠক সূত্র জানায়, বৈঠকে টিসিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়, সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া মোট ভর্তুকির মধ্যে ১৫৬ কোটি টাকা ব্যাংক ঋণের সুদ। টিসিবির চলতি মূলধনের সংকট থাকায় ৯ শতাংশ সুদে লোন অ্যাগেইনস্ট ট্রাস্ট রিসিপ্টের (এলটিআর) গ্রহণ করে মালামাল কেনা হয়। বাফার স্টক সংরক্ষণের কারণে দীর্ঘদিন পণ্য গুদামজাত করে রাখতে হয়। এ জন্য ব্যাংককে উচ্চহারে সুদ দিতে হয়। ফলে পণ্যের ক্রয়মূল্য বাড়ার পাশাপাশি ভর্তুকির পরিমাণও বেড়ে যায়।

টিসিবি জানায়, ২০১০-২০১১ অর্থবছরে ৬৯ কোটি টাকা, ২০১১-২০১২ অর্থ বছরে ৭৭ কোটি টাকা, ২০১২-২০১৩ অর্থ বছরে ৫৮ কোটি টাকা, ২০১৩-২০১৪ অর্থ বছরে ৬৬ কোটি ৯৮ লাখ টাকা, ২০১৪-২০১৫ অর্থ বছরে ৬৯ কোটি টাকা, ২০১৫-২০১৬ অর্থ বছরে ৩৪ কোটি টাকা, ২০১৬-২০১৭ অর্থ বছরে ৫ কোটি ৯৯ লাখ টাকা এবং ২০১৭-২০১৮ অর্থ বছরে ১১ কোটি ১৫ লাখ টাকা ভর্তুকি দেওয়া হয় টিসিবিকে। টিসিবি নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারমূল্য স্থিতিশীল ও সহনীয় রাখতে সরকারের নির্দেশে পণ্য আমদানি বা স্থানীয়ভাবে ক্রয় করে কম দামে বিক্রি করে।

সংসদ সচিবালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৈঠকে কমিটি রেজিস্টার্ড জয়েন্ট স্টক কোম্পানিকে কোম্পানি ট্রেড অর্গানাইজেশন, পার্টনারশিপ ফার্মের নিবন্ধন ও ছাড়পত্র দেওয়ার ক্ষেত্রে বাস্তবতার নিরিখে কাজ করার সুপারিশ করে।

কমিটির সভাপতি তোফায়েল আহমেদের সভাপতিত্বে কমিটি সদস্য বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী, মোহাম্মদ হাছান ইমাম খাঁন এবং সুলতানা নাদিরা বৈঠকে অংশ নেন।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন