বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে পার্থ গোপাল বণিকের বিরুদ্ধে গত বছরের ২৯ জুলাই মামলাটি করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

আদালতসংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, কারা অধিদপ্তরের ভ্রাম্যমাণ নিরীক্ষক শহিদুল ইসলাম আদালতে বলেন, গত বছরের ২০ আগস্ট কারা কর্তৃপক্ষের নির্দেশে কারা উপমহাপরিদর্শক পার্থ গোপালের বিরুদ্ধে করা বিভাগীয় মামলার নথিপত্র দুদক উপপরিচালক সালাহউদ্দিনের কাছে তিনি হস্তান্তর করেন। আদালতকে একই কথা জানান ডেপুটি জেলার আশরাফুল ইসলামও।

আইনজীবী এহসানুল হক সমাজী জানান, আগামী শুনানির দিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপপরিচালক সালাহউদ্দিনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে।

এহসানুল হক সমাজী জানান, বুধবার কারাগার থেকে পার্থ গোপালকে আদালতে হাজির করা হয়। গত ১৭ সেপ্টেম্বর তিনি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেছিলেন। আদালত তাঁর জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

আদালত সূত্রগুলো জানায়, গত ১৭ জুন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫–এর বিচারক ইকবাল হোসেনের ভার্চ্যুয়াল আদালত ১৫ জুলাই পর্যন্ত পার্থ গোপালকে জামিন দিয়েছিলেন। এরপর তিনি কারামুক্ত হন। পরে ওই জামিন বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করে দুদক। ২ সেপ্টেম্বর পার্থ গোপালকে নিম্ন আদালতের দেওয়া জামিন বাতিল করেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে উচ্চ আদালত পার্থ গোপালকে ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন। নিম্ন আদালতে পার্থ বণিকের জামিন পাওয়ায় হাইকোর্ট উষ্মা প্রকাশ করেন।

পার্থ গোপালের বিরুদ্ধে দায়ের দুর্নীতির মামলাটি তদন্ত করে গত বছরের ২৩ আগস্ট আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় দুদক। অভিযোগপত্রে বলা হয়, আসামি পার্থ গোপাল গত বছরের ২৮ জুলাই দুদকে হাজির হয়ে অনুসন্ধান টিমের কাছে বক্তব্য দেন। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে তিনি জানান, তাঁর বাসায় ৩০ লাখ টাকা আছে। পরে অভিযান চালিয়ে তাঁর বাসা থেকে ৮০ লাখ টাকা জব্দ করা হয়। এই টাকার বৈধ উৎস তিনি দেখাতে পারেননি।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন