default-image

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় বরখাস্ত হওয়া পুলিশের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে আরও দুজন আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। আজ মঙ্গলবার এই দুজনের সাক্ষ্য গ্রহণের মধ্য দিয়ে মামলার ৩৩ জন সাক্ষীর মধ্যে ৯ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়েছে।

এই মামলায় আজ সাক্ষ্য দিয়েছেন সাবেক অতিরিক্ত কর কমিশনার নাদেরুজ্জামান ও নির্মাণ বিল্ডার্সের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সোহেল।

১৭ ফেব্রুয়ারি মামলার পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য করেছেন আদালত। ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬-এর বিচারক আল আসাদ মো. আসিফুজ্জামান এই দিন ঠিক করেন।

এর আগে এই মামলার বাদী দুদক পরিচালক মনজুর মোর্শেদ আদালতকে বলেন, দুর্নীতির মাধ্যমে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ডিআইজি মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু হয়। প্রাথমিক অনুসন্ধানে দুর্নীতির মাধ্যমে সম্পদ অর্জনের অভিযোগ পাওয়ার পর তাঁকে সম্পদের হিসাব দেওয়ার জন্য নোটিশ দেওয়া হয়। ওই নোটিশ পেয়ে ২০১৮ সালের ১ আগস্ট দুদকে সম্পদের হিসাব জমা দেন।

বিজ্ঞাপন

সেখানে তিনি সর্বমোট ১ কোটি ১০ লাখ ৪২ হাজার ২৬০ টাকার স্থাবর সম্পদ এবং ৪৬ লাখ ২৬ হাজার ৭৫২ টাকার অস্থাবর সম্পদ অর্জনের সম্পদের হিসাব দেখান। জমা দেওয়া সম্পদের হিসাব যাচাই করার জন্য ২০১৮ সালের ১৩ জুন তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। অনুসন্ধানে প্রাপ্ত তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায় যে ডিআইজি মিজান তাঁর অপরাধলব্ধ অর্থ তাঁর নিকট আত্মীয়স্বজনের নামে সম্পদ কিনে তা কৌশলে নিজে ভোগ দখল করেন।

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০১৯ সালের ২৪ জুন ডিআইজি মিজানসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন দুদকের পরিচালক মঞ্জুর মোর্শেদ।

মামলার অপর আসামিরা হলেন ডিআইজি মিজানের স্ত্রী সোহেলিয়া আনার রত্না, তাঁর ছোট ভাই মাহবুবুর রহমান এবং ভাগনে মাহমুদুল হাসান। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে ৩ কোটি ২৮ লাখ ৬৮ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও ৩ কোটি ৭ লাখ ৫ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়। মামলাটি তদন্ত করে গত বছরের ৩০ জানুয়ারি ডিআইজি মিজানসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন