default-image

রিপোর্টারদের সংগঠন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) ‘বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড ২০১৭’ পেয়েছেন ২৯ জন সাংবাদিক।

আজ রোববার সকালে ডিআরইউর স্বাধীনতা হলে ‘ডিআরইউ বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে’ বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। এবার ২৭টি ক্যাটাগরিতে ২৯ জনকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। বিজয়ীদের পুরস্কার হিসেবে ক্রেস্ট ও নগদ পঞ্চাশ হাজার টাকা মূল্যমানের চেক তুলে দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, জুরিবোর্ডের চেয়ারম্যান শাহজাহান সরদার ও সংগঠনটির সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন।

পুরস্কার বিজয়ী সাংবাদিকেরা হলেন ক্রীড়াবিষয়ক প্রতিবেদনের জন্য প্রথম আলোর মাসুদ আলম, অপরাধ ও আইনশৃঙ্খলাবিষয়ক প্রতিবেদনে প্রথম আলোর রোজিনা ইসলাম, শিক্ষায় নয়াদিগন্তের মেহেদী হাসান, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে ডেইলি স্টারের মোহাম্মদ আল মাসুম মোল্লা, অবজেকটিভ ইকোনমিকে ঢাকা ট্রিবিউনের ইব্রাহিম হুসাইন, নগরীর সমস্যা ও সম্ভাবনায় ডেইলি স্টারের হেলিমুল আলম, সংসদ ও নির্বাচন বিষয়ে কালের কণ্ঠের কাজী হাফিজ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানিতে ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসের আজিজুর রহমান রিপন, বৈদেশিক কর্মসংস্থানে যৌথভাবে ডেইলি স্টারের শাখাওয়াত হোসেন লিটন ও ইনাম আহমেদ, স্বাস্থ্য খাতে ডেইলি স্টারের পরিমল পালমা, রাজনীতি, প্রশাসন ও বিচারব্যবস্থায় সমকালের আবু সালেহ রনি, কৃষি ও পানি ব্যবস্থাপনায় জনকণ্ঠের কাওসার রহমান, ইতিহাস ও ঐতিহ্যে মানবকণ্ঠের এম মামুন হোসেন, ব্যাংক ও পুঁজিবাজারে ভোরের কাগজের মরিয়ম মনি সেঁজুতি, নারী ও শিশু ক্যাটাগরিতে যৌথভাবে যুগান্তরের শিপন হাবীব এবং সমকালের সাজিদা ইসলাম পারুল।

টেলিভিশন বিভাগে অর্থনীতি ক্যাটাগরিতে চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের ফারুক আহমেদ মেহেদী, নগরীর সমস্যা ও সম্ভাবনায় মাছরাঙা টেলিভিশনের বদরুদ্দোজা বাবু, অপরাধ ও আইনশৃঙ্খলায় ৭১ টেলিভিশনের পারভেজ নাদির রেজা, তথ্য ও যোগাযোগে এনটিভির এম এম ইসলাম মইদুল, ক্রীড়ায় এস এ টিভির শফিকুল ইসলাম শিপলু, সুশাসন ও দুর্নীতিতে ইনডিপেনডেন্টের মাহবুবুল আলম লাবলু, নারী, শিশু ও মানবাধিকারে চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের মাসউদুর রহমান, স্বাস্থ্যে এনটিভির হাসান জাবেদ।

অনলাইন বিভাগে নারী, শিশু ও মানবাধিকার ক্যাটাগরিতে বাংলানিউজ টোয়েন্টিফোরের সেরাজুল ইসলাম সিরাজ, উন্নয়ন ও সম্ভাবনায় রাইজিং বিডির রফিকুল ইসলাম মন্টু, তথ্য, যোগাযোগপ্রযুক্তি ক্যাটাগরিতে বিজয়ী হয়েছেন জাগো নিউজের সাঈদ শিপন এবং অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে বিবিসির আহরার হোসেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাসানুল হক ইনু বলেন, গণতন্ত্র ও গণমাধ্যম একই মুদ্রার এপিঠ–ওপিঠ। এ জন্যই গণমাধ্যমকে একটি রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ বলা হয়। গণতন্ত্র যখনই বিপন্ন হয়েছে বা সংকটে পড়েছে, তখনই গণমাধ্যম তাকে উদ্ধার করেছে। এ জন্য গণমাধ্যমকর্মীদের অনুসন্ধানী ও গঠনমূলক প্রতিবেদন তৈরির আহ্বান জানান তিনি। মন্ত্রী বলেন, সরকার শিগগিরই সাংবাদিকদের জন্য নবম ওয়েজবোর্ড ঘোষণা করতে যাচ্ছে।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0