বিজ্ঞাপন

অনলাইনের আয়োজনে এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেন, এই ডিজিটাল হাটের মাধ্যমে একদিকে বিক্রেতারা ন্যায্যমূল্য পাবেন, অন্যদিকে ক্রেতারা পাবেন সঠিক পশু ক্রয়ের নিশ্চয়তা। হাটে না গিয়ে নিজেকে নিরাপদ রেখে ঘরে বসে কোরবানির পশু পাওয়ার সুবিধা রাখা হয়েছে এখানে। কারণ, বর্তমান সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে কাজ করছে।

সভাপতির বক্তব্যে আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ বলেন, দেশের ১ হাজার ৮৪৩টি অনলাইন শপের মাধ্যমে প্রান্তিক পর্যায়ের ২৪১টি হাট একটি প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হয়েছে। এতে ই-ক্যাব ও একশপ সার্বিক সহযোগিতা করছে। তিনি ডিজিটাল হাটকে নিরাপদ সাশ্রয়ী এবং পরিবেশবান্ধব বলে অভিহিত করেন। অনুষ্ঠান উদ্বোধন শেষে আইসিটি প্রতিমন্ত্রী স্ক্রো সেবার মাধ্যমে একটি গরু কেনেন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদ বলেন, ‘গত বছর আমাদের ১ কোটি ১৮ লাখ কোরবানির পশুর চাহিদা ছিল। কিন্তু করোনার কারণে বিক্রি হয়েছে ৯৪ লাখ পশু। চলতি বছর ১ কোটি ১৯ লাখ কোরবানিযোগ্য পশু রয়েছে। এ বছর অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আমরা রেকর্ডসংখ্যক পশু অনলাইনে বিক্রি করতে পারব।’

এটুআইয়ের প্রকল্প পরিচালক আবদুল মান্নান, এটুআইয়ের যুগ্ম প্রকল্প পরিচালক দেওয়ান মোহাম্মদ হুমায়ন, ই-ক্যাবের প্রেসিডেন্ট শমী কায়সার, আইসিটি বিভাগের সচিব এন এম জিয়াউল আলম প্রমুখ বক্তব্য দেন।

ডিজিটাল হাটের ঠিকানা https://digitalhaat.net/ । কলসেন্টার থেকে কল করে যেকোনো তথ্য জানতে ও অভিযোগ করতে 09614102030 নম্বরে কল করতে পারবেন ক্রেতা ও বিক্রেতারা। ঈদের আগের দিন পশু ডেলিভারি দেওয়ার শেষ তারিখ। একই শহরে হলে বিক্রেতারা ঈদের আগের দিন পর্যন্ত পশু বিক্রি করতে পারবেন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন