বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বৈঠকের ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, বরিশাল ডিসি অফিসের কর্মচারী অ্যাসোসিয়েশনের নেতা মাহফুজুর রহমান খান বৈঠকে উপস্থিত নোয়াখালীর নেতাদের বলছেন, ‘যোগ্য প্রার্থী, অযোগ্য প্রার্থী যা-ই বলেন; আমাদের একটি দাবি আছে। সেই দাবি হলো, আমাদেরই এক কলিগের ছোট ভাই, তাঁকে যদি এগিয়ে দেওয়া যায়...সবার পরিবার-পরিজন ও আত্মীয়স্বজনকে যদি বলেন, তাহলে আমাদের মুখটা উজ্জ্বল হবে। আপনাদের মুখটাও উজ্জ্বল হবে।’

নোয়াখালীতে এসে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে বরিশাল জেলা সরকারি কর্মচারী অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মাহফুজুর রহমান খান প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা লক্ষ্মীপুর এসেছি। সেখান থেকে সুবর্ণচর যাওয়ার কথা।’ পরে ভাইরাল ভিডিওর কথা উল্লেখ করলে তিনি বলেন, ‘আগামী শনিবার অ্যাসোসিয়েশনের সভার বিষয়ে কথা হয়েছে। এর মধ্যে হয়তো একটা কথা এসেছে। কিন্তু আমরা তো এ রকম করতে পারি না।’

এ বিষয়ে বক্তব্য জানার জন্য আজ একাধিকবার কল করা হলেও বরিশালের ডিসি জসীম উদ্দীন হায়দার কল ধরেননি। খুদে বার্তা পাঠানোর অনুরোধ জানিয়ে একটি খুদে বার্তা পাঠান। পরে খুদে বার্তা পাঠানো হলেও তিনি জবাব দেননি।

নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক ও সুবর্ণচর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ এইচ এম খায়রুল আনম চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, ‘বরিশাল থেকে সরকারি কর্মচারী অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা নোয়াখালীতে এসে নৌকার বিপক্ষে প্রচারণায় অংশ নেওয়ার ঘটনায় তিনি বিস্মিত। এটি চরম ঔদ্ধতপূর্ণ আচরণ। আমরা এ ঘটনার তদন্ত দাবি করছি।’

এ বিষয়ে নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম খান বলেন, ঘটনা খতিয়ে দেখতে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নাজিমুল হায়দারকে কমিটির প্রধান করা হয়েছে।

১৬ জানুয়ারি নোয়াখালী পৌরসভার নির্বাচন। নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীক নিয়ে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বর্তমান মেয়র মো. সহিদ উল্যাহ খান। এ ছাড়া আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে (স্বতন্ত্র) মোবাইল ফোন প্রতীকে লুৎফুল হায়দার, বিএনপির জেলা কমিটি থেকে অব্যাহতি পাওয়া দুই নেতা শহিদুল ইসলাম কম্পিউটার প্রতীকে ও আবু নাছের নারকেলগাছ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন