বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি মোস্তাফা জব্বার বলেন, এ বছর টেলিটক ৫-জি সেবা পরীক্ষামূলকভাবে শুরু করবে। আগামী বছর তা সম্প্রসারণ করবে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে অন্য মুঠোফোন অপারেটরদের জন্য ৫-জি তরঙ্গ নিলাম করা হবে। ফলে আগামী বছর অন্যান্য অপারেটরও ৫-জি চালু করতে পারবে।

অবশ্য খুব দ্রুতই সারা দেশে ৫-জি ছড়িয়ে দেওয়া হবে, বিষয়টি তেমন নয় বলে জানান টেলিযোগাযোগমন্ত্রী। তিনি বলেন, ৫-জি সেবা বেশি কাজে লাগবে ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিল্পকারখানায়। সেদিকেই নজর বেশি থাকবে।

পাঁচটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল শিল্পকারখানায় ৫-জি সেবা দেওয়ার জন্য বিটিসিএলকে তৈরি থাকতে বলা হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী।

টেলিটকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. সাহাব উদ্দীন অনুষ্ঠানে বলেন, তাঁরা ডিসেম্বরের মধ্যে ৫-জি সেবা পরীক্ষামূলকভাবে চালু করতে প্রস্তুতি নিচ্ছেন। শুরুতে ঢাকায় ২০০টি সাইট চালু হবে।

অনুষ্ঠানে ফাইভ-জি নিয়ে একটি উপস্থাপনা তুলে ধরেন টিআরএনবির সাধারণ সম্পাদক সমীর কুমার দে। তিনি জানান, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে গড়ে ১০ জিবিপিএস গতিতে ৫-জি সেবা দেওয়া হচ্ছে। এই গতি ২০২৬ সাল নাগাদ ১০০ জিবিপিএসে উন্নীত হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিটিআরসির চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর সিকদার। এ ছাড়া বিটিআরসির কমিশনার ও ৫–জি নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি এ কে এম শহীদুজ্জামান, মুঠোফোন অপারেটরদের সংগঠন অ্যামটবের চেয়ারম্যান এরিক অস, গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইয়াসির আজমান, রবির ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রিয়াজ রশীদ, হুয়াওয়ে বাংলাদেশের চিফ অপারেটিং অফিসার তাওগোয়ানজিও, এরিকসনের কান্ট্রি ম্যানেজার আবদুস সালাম প্রমুখ বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন টিআরএনবির সভাপতি রাশেদ মেহেদী।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন