default-image

ম্যারাথন প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে আজ শুক্রবার মালয়েশিয়া হেলথকেয়ার ট্রাভেল কাউন্সিলের (এমএইচটিসি) মাসব্যাপী স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
সকালে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে বেলুন উড়িয়ে ‘ফান রান ম্যারাথন’ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রদূত নূর আশিকিন মোহাম্মদ তায়িব।
‘সুস্থতায় শুদ্ধতায় মানসিক প্রশান্তি’—স্লোগান সামনে রেখে শুরু হয়েছে মালয়েশিয়া হেলথকেয়ার ট্রাভেল কাউন্সিলের (এমএইচটিসি) মাসব্যাপী স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম। মালয়েশিয়ায় মানসম্পন্ন ও সুলভ চিকিৎসাসেবার সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে প্রচারণার অংশ হিসেবে এই স্বাস্থ্যসেবা মাসের কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এমএইচটিসির এ কার্যক্রমের অংশীদার গ্রিন ডেল্টা ইনস্যুরেন্স কোম্পানির অঙ্গ প্রতিষ্ঠান জিডি অ্যাসিস্ট।
আজকের ব্যতিক্রমী এই দৌড় প্রতিযোগিতায় প্রায় ১০০ জন স্বাস্থ্যসচেতন মানুষ অংশ নেন। ইন্দিরা রোড ক্রীড়া চক্র মাঠের সামনে থেকে জাতীয় সংসদ ভবনের সামনের সড়কে প্রতিযোগীরা দৌড়ে অংশ নেন। প্রতিযোগিতায় রোবায়েত, হোসেন মোহাম্মদ ও প্রীতম নাগ যথাক্রমে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় হওয়ার গৌরব অর্জন করেন। তিন বিজয়ীকে আয়োজকদের পক্ষ থেকে পাঁচ হাজার, তিন হাজার ও দুই হাজার টাকা এবং ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়। এ ছাড়া সব প্রতিযোগীকে স্মারক হিসেবে পদক দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জিডি অ্যাসিস্টের চেয়ারম্যান নাসির এ চৌধুরী, পরিচালক ফারজানা চৌধুরী, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ মইনুদ্দিন আহমেদ, এমএইচটিসির বিপণন কর্মকর্তা মেগাত আরদিয়ান আমিনউদ্দিন, আঞ্চলিক বিপণন কর্মকর্তা কাভিথা ম্যাথুভি প্রমুখ।
ম্যারাথন প্রতিযোগিতা শেষে ইন্দিরা রোড ক্রীড়া চক্র মাঠে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন আয়োজক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা। এতে মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রদূত নূর আশিকিন মোহাম্মদ তায়িব বলেন, ‘মালয়েশিয়া দূতাবাস এই স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে। পর্যটনের পাশাপাশি মালয়েশিয়ার স্বাস্থ্য খাত এখন অনেক উন্নত। হাসপাতালগুলো সেবা গ্রহীতাদের নানা সুযোগ-সুবিধা দিচ্ছে। উন্নত চিকিৎসাসেবার জন্য বাংলাদেশি নাগরিকদের মালয়েশিয়ায় স্বাগত।’
আয়োজনের নানা দিক তুলে ধরে এমএইচটিসের বিপণন কর্মকর্তা মেগাত আরদিয়ান আমিনউদ্দিন বলেন, ‘গত বছর মালয়েশিয়ার বিভিন্ন হাসপাতালে প্রায় ১৪ হাজার ৫০০ বাংলাদেশি নাগরিক সেবা গ্রহণ করেছে। আমরা চাই আরও বেশি মানুষ মালয়েশিয়ার স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ করুক। ফান ম্যারাথন প্রতিযোগিতার বাইরেও স্বাস্থ্য সচেতন মানুষ ও বিভিন্ন করপোরেট প্রতিষ্ঠানে আমরা মাসব্যাপী স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে নানা আয়োজন করব।’
জিডি অ্যাসিস্টের চেয়ারম্যান নাসির এ চৌধুরী বলেন, ‘স্বাস্থ্যসেবায় বিশ্বমান ও স্বল্পব্যয়ের কারণে মালয়েশিয়া হতে পারে আমাদের ভরসার জায়গা।’

default-image

জিডি অ্যাসিস্টের পরিচালক ফারজানা চৌধুরী বলেন, ‘আমাদের দেশের মানুষকে স্বল্পমূল্যে উন্নত সেবা দেওয়ার লক্ষ্যে এমএইচটিসির সঙ্গে আমরা যুক্ত হয়েছি। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যে সেবা নিতে অনেক অর্থ খরচ করতে হয়, সেখানে মালয়েশিয়ায় হাসপাতালে অনেক কম খরচে সেবা পাওয়া সম্ভব। জিডি অ্যাসিস্ট মালয়েশিয়ায় চিকিৎসা সেবা নিতে আগ্রহীদের অ্যাপয়েন্টমেন্ট, থাকার, যাতায়াত ব্যবস্থাসহ নানা ধরনের সেবা দিয়ে থাকে।’
আজকের আয়োজনে ম্যারাথন ছাড়া রক্তচাপ মাপাসহ প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার ব্যবস্থা ছিল অনুষ্ঠানস্থলে।

বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন