বিজ্ঞাপন

চন্দ্রা এলাকার রংপুরগামী সুরভি এন্টারপ্রাইজ গাড়ির চালক আফাজ উদ্দিন বলেন, ‘দূরপাল্লার গাড়ি চলেছে শুনে গাড়ি বের করেছি, কিন্তু যাত্রী পাচ্ছি না। এখন সাতজন যাত্রী নিয়ে রংপুরের উদ্দেশে রওনা দিয়েছি। যাত্রীশূন্য হবে জানলে আর বের হতাম না। সাধারণ দিনেও এর থেকে বেশি যাত্রী থাকে।’

তবে যাত্রীদের মধ্যে নানামুখী প্রতিক্রিয়া লক্ষ করা গেছে। যাত্রী কম থাকায় গাড়ি ছাড়তে সময় নিচ্ছে, অন্যদিকে রাস্তা ফাঁকা থাকায় দ্রুত সময়ে পৌঁছে যাচ্ছে গন্তব্যে। রাজশাহীগামী সুপার এন্টারপ্রাইজে একটি বাসে নয়জন যাত্রী নিয়ে চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকায় প্রায় এক ঘণ্টা ধরে বসে আছে। আর কোনো যাত্রী না পেয়ে নয়জন যাত্রী নিয়েই গাড়িতে ছেড়ে চলে যায়।

ঈদের ছুটি শুরু হওয়ায় গত কয়েক দিন থেকে কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকায় ঘরমুখী হাজারো মানুষ যে যাঁর মতো করে ঝুঁকি নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন। করোনার মহামারি ভয় তাঁদের কারও মধ্যে দেখা যায়নি। বিধিনিষেধের মধ্যে যেসব যানবাহন চলছে, সেগুলোয় উঠে বাড়ি ফেরার জন্য মানুষ হুমড়ি খেয়ে পড়ছে। গতকাল বুধবার রাতের মধ্যে ঘরমুখী মানুষ গাজীপুর এলাকা ছেড়েছে। আজ সকাল থেকে মহাসড়কগুলো ফাঁকা হয়ে গেছে।

একই অবস্থা দেখা গেছে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক। চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় ছোট ছোট পরিবহনের সঙ্গে কিছু দূরপাল্লার বাসও দেখা গেছে। তবে যাত্রী না থাকায় প্রায় ফাঁকা গাড়ি নিয়েই ফিরে যেতে হয়েছে।

সালনা (কোনাবাড়ী) হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর গোলাম ফারুক বলেন, গতকাল রাতে বেশ চাপ ছিল। তবে আজ সকাল থেকে মহাসড়ক ফাঁকা হয়ে যায়।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন