ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যানজট

ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে যানজটের সৃষ্টি হয়। টাঙ্গাইল শহর-সংলগ্ন রাবনা বাইপাস, টাঙ্গাইল, ১০ নভেম্বর। ছবি: প্রথম আলো
ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে যানজটের সৃষ্টি হয়। টাঙ্গাইল শহর-সংলগ্ন রাবনা বাইপাস, টাঙ্গাইল, ১০ নভেম্বর। ছবি: প্রথম আলো

ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের টাঙ্গাইল অংশের বিভিন্ন স্থানে গতকাল বৃহস্পতিবার রাত থেকে আজ শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত যানজটের সৃষ্টি হয়। ফলে এ সড়কে যাতায়াতকারী মানুষের দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

হাইওয়ে পুলিশ সূত্রে জানায়, অন্যান্য দিনের থেকে সাপ্তাহিক ছুটির আগের দিন হওয়ায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে যানবাহনের চাপ বেশি ছিল। আর মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে চার লেনের কাজের কারণে এক লেনে যানবাহন চলাচল করতে হচ্ছে। এ জন্যই সৃষ্টি হচ্ছে যানজটের। ফলে স্বাভাবিক অবস্থায় ঢাকা থেকে টাঙ্গাইল পর্যন্ত যেখানে আড়াই থেকে তিন ঘণ্টা সময় লাগে, সেখানে যানজটের কারণে শুক্রবার সময় লেগেছে ছয় থেকে সাত ঘণ্টা।
সরেজমিন শুক্রবার দুপুরে এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় দেখা যায়, অতিরিক্ত যানবাহনের কারণে জট লেগে আছে। এ ছাড়া সদর উপজেলার বিক্রমহাটি, পৌলী এলাকায় রাস্তার অবস্থা খারাপ থাকায় যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। টাঙ্গাইল শহর বাইপাস, তারুটিয়া, করটিয়া, দেলদুয়ার উপজেলার নাটিয়াপাড়াসহ বিভিন্ন স্থানে চার লেনের কাজ চলার কারণে যানজটের সৃষ্টি হয়।
টাঙ্গাইল শহর বাইপাসে দিনাজপুরগামী হানিফ পরিবহনের যাত্রী আকবর হোসেন বলেন, সকাল ১০টায় ঢাকা থেকে রওনা হয়ে বিকেল সাড়ে চারটায় টাঙ্গাইল পর্যন্ত পৌঁছেছেন। পথে পাঁচ-ছয় জায়গায় যানজটে পড়তে হয়েছে। বগুড়াগামী বাসের চালক হামিদুল্লাহ বলেন, যানজট থেকে মুক্ত হওয়ার পর স্বাভাবিকভাবে গাড়ি চালানো যায়নি, ধীরগতিতে চলতে হয়েছে। ট্রাকচালক জয়নাল আবেদিন বলেন, মির্জাপুর থকে টাঙ্গাইল পর্যন্ত আসতে সময় লেগেছে তিন ঘণ্টা। স্বাভাবিক অবস্থায় এ সড়কটুকু পেরোতে সময় লাগে ৪০ থেকে ৫০ মিনিট।
হাইওয়ে পুলিশের এলেঙ্গা ফাঁড়ির পরিদর্শক তরিকুল ইসলাম বলেন, গাড়ির চাপ বেশি থাকায় এবং চার লেনের কাজের কারণে এই যানজট সৃষ্টি হয়েছে। যানজট নিরসনে পুলিশ সর্বাত্মক চেষ্টা করেছে।