বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ জামান আজ রোববার প্রথম আলোকে বলেন, শুক্রবার নারায়ণগঞ্জ রেলগেট পার্কের ভেতর থেকে এক যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়। সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত করে মরদেহটি অজ্ঞাতনামা হিসেবে সিটি কপোররেশনের কবরস্থানে দাফন করা হয়। এর আগে মরদেহের আঙুলের ছাপ সংগ্রহ করে রাখা হয়। সিআইডির গবেষণাগারে আঙুলের ছাপ পরীক্ষা করে আজ ওই মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করা হয়। এরপর মাঈনুদ্দিনের পরিবারকে খবর দেওয়া হয়।

ওসি শাহ জামান বলেন, নিহত যুবকের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন ছিল না। পরিবার থেকেও কোনো অভিযোগ করা হয়নি। থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। ময়নাতদন্তে যদি হত্যার বিষয় আসে, তাহলে অপমৃত্যুর মামলাটি হত্যা মামলায় পরিণত হবে। তদন্তও সেভাবে হবে।

মাঈনুদ্দিনের বাড়ি ফেনী সদর উপজেলার মোটবী ইউনিয়নের উত্তর লক্ষ্মীপুর গ্রামে। তাঁর বাবা রবিউল হক শাহবাগ থানার সাধারণ ডায়েরিতে লিখেছিলেন, মঙ্গলবার সকাল আটটার দিকে দুজন চিকিৎসক একটি পরীক্ষার জন্য ছেলে মাঈনুদ্দিনকে ৬ তলার ৬০১ নম্বর ওয়ার্ড থেকে ১০ তলার একটি কক্ষে নিয়ে যান। এ সময় মাঈনুদ্দিনের বড় ভাই জামাল উদ্দিনও সঙ্গে যান। মাঈনুদ্দিনকে কক্ষে রেখে তাঁর জন্য নাশতা আনতে বাইরে যান জামাল। কিন্তু ফিরে এসে ওই কক্ষে তাঁকে পাওয়া যায়নি। দিনভর হাসপাতালে অনেক খোঁজাখুঁজির পরও সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক, ওয়ার্ডমাস্টার ও ওয়ার্ডের নার্সরা মাঈনুদ্দিনের সন্ধান পাননি।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন