শবনম জাহান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কুয়েত মৈত্রী হলের ভারপ্রাপ্ত প্রভোস্ট ছিলেন। ২০১৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনের সময় কুয়েত মৈত্রী হলে ব্যালট পেপার নিয়ে সংঘটিত ঘটনায় ব্যর্থতার জন্য শবনম জাহানকে এক ধাপ নিচে, অর্থাৎ সহযোগী অধ্যাপক থেকে সহকারী অধ্যাপক পদে অবনমিত করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের গত বছরের ২৯ জুলাইয়ের এই সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে একই বছর হাইকোর্টে রিট করেন শবনম জাহান। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট রুল দেন। রুলের ওপর শুনানি নিয়ে আজ রায় দেওয়া হলো।

আদালতে শবনম জাহানের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. সালাহ উদ্দীন দোলন। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত তালুকদার।

রায়ের বিষয়টি জানিয়ে সালাহ উদ্দীন দোলন প্রথম আলোকে বলেন, গত বছরের ২৯ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শবনম জাহানকে এক ধাপ নিচে অর্থাৎ সহকারী অধ্যাপক পদে অবনমিত করার সিদ্ধান্ত দেয়। এই সিদ্ধান্ত গত বছরের ২০ জুলাই থেকে কার্যকর হবে বলা হয়। এ দুটি বিষয় হাইকোর্ট বাতিল ঘোষণা করেছেন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন