বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সিফাত উল্লাহর বিরুদ্ধে অভিযোগ, ছাত্রলীগের কর্মসূচিতে অংশ না নেওয়ার অভিযোগ তুলে ১৩ ডিসেম্বর এক শিক্ষার্থীকে মারধর করেন তিনি। এ ঘটনায় ওই শিক্ষার্থী হল প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন।

এর আগে গত ৭ নভেম্বর রাতে একই অভিযোগে দুই শিক্ষার্থীকে ঘুম থেকে ডেকে নিয়ে মারধর করেন সিফাত উল্লাহ ও তাঁর এক বন্ধু। সেই ঘটনার পর তাঁর কাছ থেকে মুচলেকা নেয় হল প্রশাসন। ২০১৮ সালের জুলাই মাসেও একটি মারধরের ঘটনায় ঢাবি থেকে বহিষ্কৃত হয়েছিলেন সিফাত। তবে সেই বহিষ্কারাদেশ পরে তুলে নেওয়া হয়।

বহিষ্কারের নোটিশে সিফাত উল্লাহর বিরুদ্ধে আনা তিনটি অভিযোগের কথা উল্লেখ করেন হলের প্রাধ্যক্ষ মোহাম্মদ মকবুল হোসেন ভূঁইয়া। বলা হয়, এসব ঘটনার ধারাবাহিকতায় হল প্রশাসন বিব্রত হয়েছে। এতে আবাসিক ছাত্রদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। একজন ছাত্রের এ ধরনের ঘটনা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি লঙ্ঘন, মর্যাদা ও আইনের পরিপন্থী। ভবিষ্যতে তাঁকে হলে অবস্থান করতে দেখা গেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সূর্য সেন হলের জ্যেষ্ঠ আবাসিক শিক্ষক আহমদ উল্লাহ বলেন, হল প্রশাসন বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়ায় সিফাত উল্লাহ আর হলে অবস্থান করতে পারবেন না। এরপরও অবস্থান করলে তাঁর বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে একাডেমিক কাজে হল কার্যালয়ে আসতে পারবেন তিনি।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন