বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ভিকারুননিসার দুই শিক্ষার্থীর অভিভাবক মোহাম্মদ মোর্শেদ আলম গতকাল রোববার ওই রিট করেন, যা আজ শুনানির জন্য ওঠে। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো.আবদুল্লাহ আল হারুন ভূঁইয়া। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।

ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দুই শিক্ষার্থীর অভিভাবক রিটটি করেছেন উল্লেখ করে আইনজীবী মো.আবদুল্লাহ আল হারুন ভূঁইয়া শুনানিতে বলেন, ‘অতিমারির কারণে এখন শিক্ষার্থীদের ক্লাস হয় অনলাইনে। সে কারণে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর ডিজিটাল সুবিধা আছে। অধ্যক্ষের বিষয়ে বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে নিউজগুলো দেখে রিট আবেদনকারীকে তাঁর দুই শিক্ষার্থী সন্তান বিষয়টি অবহিত করে। ফোনালাপে অধ্যক্ষের বক্তব্যে আপত্তিকর শব্দ আছে। অধ্যক্ষ বলেছেন, উনি আগেও অস্ত্র বহন করতেন, এখনো তাঁর বালিশের তলায় অস্ত্র থাকে। রিট আবেদনকারীর সন্তানসহ শিক্ষার্থীরা অধ্যক্ষের ওই বক্তব্য শুনেছে ও দেখেছে। এতে অধ্যক্ষ তাঁর নৈতিক অবস্থান হারিয়েছেন, ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজে শিক্ষক হিসেবে থাকার।’

এ বিষয়ে বেশ কয়েকটি দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদন যুক্ত করে ওই রিট করা হয়।

‘আমি গুলি করা মানুষ পিস্তল বালিশের নিচে থাকত’ শীর্ষক এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ভিকারুননিসা স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ কামরুন নাহার এবং অভিভাবক ফোরামের উপদেষ্টা মীর শাহাবুদ্দিন টিপুর একটি ফোনালাপ ফাঁস হয়েছে। এ নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। এতে অধ্যক্ষ ওই অভিভাবককে বলেন, ‘আমি কিন্তু গুলি করা মানুষ। রিভলবার নিয়া ব্যাগের মধ্যে হাঁটা মানুষ। আমার পিস্তল বালিশের নিচে থাকত। কোনো...বাচ্চা যদি আমার পেছনে লাগে, আমি কিন্তু ওর পেছনে লাগব, আমি শুধু ভিকারুননিসা না আমি দেশছাড়া করব।’ ফোনালাপের অডিও ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

রিট দায়েরের আগে মোহাম্মদ মোর্শেদ আলম গত ২৭ জুলাই শিক্ষাসচিব এবং মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবরে পৃথক আবেদন করেন। এতে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ ও তদন্তের স্বার্থে অধ্যক্ষকে সাময়িক বরখাস্তের নিবেদন করা হয়। এতে ফল না পেয়ে রিটটি করা হয় বলে জানান সংশ্লিষ্ট আইনজীবী।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন