অবশ্য ‘লাখ লাখ গরিব ও নিঃস্ব তাঁতশিল্পীকে স্বপেশায় নিয়োজিত’ রাখার অন্যতম লক্ষ্য নিয়ে ১৯৭৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল বাংলাদেশ তাঁত বোর্ড (বাতাঁবো)। তাঁত–তাঁতি কমলেও ধীরে ধীরে বেড়েছে তাঁত বোর্ডের কার্যালয় ও জনবল। কলেবর আরও বাড়ানোর উদ্যোগ অব্যাহত আছে।

হস্তচালিত তাঁতের জায়গায় পাওয়ারলুম চলে আসায় অনেক তাঁতি ঝরে পড়েছেন। তাঁতি পরিবারের ছেলেমেয়েরা পড়াশোনা করে অন্য পেশায় যাচ্ছে। তবে তাঁতি কমলেও তাঁতের সংখ্যা কমেছে বলে তিনি মনে করেন না। তাঁর দাবি, তাঁরা যেসব ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন, তাতে তাঁতিদের আর পেশা ছেড়ে যাওয়ার অবস্থা নেই। যাঁরা ছেড়ে গেছেন, তাঁরাও ফিরছেন।
বাতাঁবোর চেয়ারম্যান মো. রেজাউল করিম

১৯৭৭ সালে প্রতিষ্ঠিত তাঁত বোর্ডের বর্তমান অনুমোদিত স্থায়ী–অস্থায়ী পদ ৩৭২টি। তাঁর মধ্যে কর্মরত আছেন ২৩৭ জন। অস্থায়ী শূন্য পদে ৩৫ জনকে নিয়োগ দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। ২০১৬–১৭ অর্থবছরের তাঁত বোর্ডের বার্ষিক প্রতিবেদন বলছে, তখন বোর্ডের জনবল ছিল ২৫৬ জন। এখন নতুন ৩৫ জন নিয়োগ হলে জনবল দাঁড়াবে ২৭২ জনে।

এদিকে পাঁচ বছরের ব্যবধানে (২০১৬–১৭ থেকে ২০২০–২১ অর্থবছর) বাতাঁবোর বেসিক সেন্টার ছয়টি বেড়ে হয়েছে ৩৬টি। বাতাঁবোর অন্তত সাতটি প্রশিক্ষণ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। কারিগরি সেবা প্রদান কেন্দ্র রয়েছে পাঁচটি। এর বাইরে তিনটি প্রকল্পের আওতায় তিনটি কারিগরি সেবা প্রদান কেন্দ্র, পাঁচটি বেসিক সেন্টারে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, একটি ফ্যাশন ডিজাইন ইনস্টিটিউট ও দুটি মার্কেট প্রমোশন কেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে।

তাঁত বোর্ড কেন তাঁত–তাঁতিদের ধরে রাখতে পারছে না, জানতে চাইলে বাতাঁবোর চেয়ারম্যান মো. রেজাউল করিম গত ২৭ মার্চ প্রথম আলোকে বলেন, হস্তচালিত তাঁতের জায়গায় পাওয়ারলুম চলে আসায় অনেক তাঁতি ঝরে পড়েছেন। তাঁতি পরিবারের ছেলেমেয়েরা পড়াশোনা করে অন্য পেশায় যাচ্ছে। তবে তাঁতি কমলেও তাঁতের সংখ্যা কমেছে বলে তিনি মনে করেন না। তাঁর দাবি, তাঁরা যেসব ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন, তাতে তাঁতিদের আর পেশা ছেড়ে যাওয়ার অবস্থা নেই। যাঁরা ছেড়ে গেছেন, তাঁরাও ফিরছেন।

তবে বাতাঁবোর চেয়ারম্যানের সঙ্গে একমত নন বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। তাঁরা মনে করেন, বাতাঁবোর যে কার্যক্রম, তা অনেকটাই প্রশিক্ষণ ও ঋণ প্রদানের মধ্যে সীমাবদ্ধ। কুষ্টিয়ার কুমারখালী, নরসিংদী, টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ ও কুড়িগ্রামের বেশ কয়েকজন তাঁতি প্রথম আলোকে বলেছেন, কোনো কোনো তাঁতি ঋণ পান। সেটা তাঁদের কাজে লাগে। এর বাইরে তাঁত বোর্ড তেমন ভূমিকা রাখতে
পারছে না।

সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার তামাই গ্রামের লিটন সরকারের ১২টি তাঁত রয়েছে। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘আসলে তাঁত বোর্ডের কার্যক্রম নামে মাত্র। ওরা শুধু তাঁত বোর্ডের অফিসে বসে থাকে।’ তিনি বলেন, ‘রোজার আগে মনিকা নামে হাফ সিল্ক সুতার দাম ৮০০ টাকা কেজি হয়েছে, যা দেড় মাস আগেও ২৫০ টাকা ছিল। এই বিষয়গুলো কে দেখবে? আমাদের কোনো অভিভাবক নেই। এটাই সবচেয়ে বড় সমস্যা।’

কেন কমছে তাঁতি

বিভিন্ন জেলার তাঁতিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, হস্তচালিত তাঁত কমে যাওয়ার বড় কারণ তাঁতিদের আয় কমে যাওয়া। সুতার দামই তাঁতিদের বেশি বিপাকে ফেলে।

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের তারাবো পৌরসভার নোয়াপাড়া গ্রামের তাঁতি খোরশেদ আলম প্রথম আলোকে বলেন, তাঁত বুনে তাঁতিরা যে আয় করেন, তার চেয়ে রিকশা চালালে বেশি উপার্জন করা যায়।

তাঁতিরা জানিয়েছেন, বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস করপোরেশনের (বিটিএমসি) ৮৬টি কারখানায় উৎপাদিত সুতা তাঁরা সুলভ মূল্যে পেতেন। বিটিএমসির মিল নেই। সুতার বাজার এখন বেসরকারি খাতের ওপর নির্ভরশীল। সেখানে দামের ওঠানামা অত্যন্ত বেশি।

বিগত পাঁচ বছরে তিন দফায় ৯০ জন তাঁতি ও তাঁদের পরিবারের একজন করে সদস্যকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। করোনাকালের দুই বছর কোনো প্রশিক্ষণ হয়নি।
কুষ্টিয়ার কুমারখালী তাঁত বোর্ডের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মেহেদী হাসান

বাংলাদেশ তাঁতি সমিতির সভাপতি মনোয়ার হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, সুতা ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে বেশি দামে সুতি সুতা বিক্রি করেন। এতেই বেড়ে যায় উৎপাদন খরচ। এ ক্ষেত্রে তাঁত বোর্ডকে ভূমিকা রাখতে হবে। তিনি বলেন, তাঁতিরা যে রং ব্যবহার করেন, সেটার দামও বাড়তি। বিনা শুল্কে রং কিছু কিছু আসছে। কিন্তু চাহিদার তুলনায় তা খুবই কম।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পাঁচ বছর আগে শুল্কমুক্ত সুবিধায় তাঁতের জন্য পলিয়েস্টার সুতা আমদানির সুবিধাসংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারির নির্দেশনা দেন। তবে দুই বছর তাঁত বোর্ড নিজেই সেই সুবিধা বন্ধ করে রেখেছিল। এর প্রতিবাদ জানিয়ে গত সেপ্টেম্বরে ঢাকায় সংবাদ সম্মেলন করে জাতীয় তাঁতি সমিতি। সেখানে সমিতির সভাপতি মনোয়ার হোসেন অভিযোগ করেন, একটি ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের সঙ্গে যোগসাজশ করে এ সুবিধা বন্ধ রেখেছে তাঁত বোর্ড। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কয়েক মাস আগে সেই শুল্কমুক্ত সুবিধা চালু করা হয়েছে।

যা করে তাঁত বোর্ড

সারা দেশে তাঁত বোর্ডের ৩৬টি বেসিক সেন্টার রয়েছে। তাঁত বোর্ড বলছে, তাদের কাজ তাঁতি সমিতির সদস্যদের সংগঠিত ও উদ্বুদ্ধ করা, ঋণ প্রদান, প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য তাঁতি নির্বাচন করা, তাঁতিদের প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা দেওয়া প্রভৃতি। মিরপুরের ভাষানটেকে রয়েছে একটি বেসিক সেন্টার। সেখানে তিনজন কর্মকর্তা–কর্মচারী রয়েছেন। ভাষানটেকে বসবাসরত তাঁতিরা বলছেন, সাধারণ তাঁতির সঙ্গে বেসিক সেন্টারের কোনো সম্পর্ক নেই।

তাঁত বোর্ড তাঁতিদের ঋণও দেয়। ২০০৬ সালের পর নতুন প্রকল্প না আসায় ঋণ প্রদানও বন্ধ ছিল। ২০১৯ সালে তা আবার চালু হয়। তাঁত বোর্ড জানিয়েছে, তারা ৪ হাজার ২২৬ জনকে প্রায় ৫১ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছে।

তাঁতিদের তৈরি বস্ত্রের ওপর প্রিন্ট করা, ডাইং করা ও অন্যান্য কারিগরি সুবিধা দেওয়ার জন্য কুষ্টিয়া, সিরাজগঞ্জ, কুমিল্লা, নরসিংদী ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পাঁচটি কেন্দ্র রয়েছে তাঁত বোর্ডের। এর মধ্যে কুমিল্লা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কেন্দ্র দুটি দুই যুগের বেশি সময় ধরে বন্ধ আছে। যদিও সেখানে কয়েকজন কর্মকর্তা ও নিরাপত্তাপ্রহরী রয়েছেন। তাঁদের বেতন–ভাতার পেছনে ব্যয় রয়েছে বোর্ডের।

নরসিংদীর মাধবদীর বস্ত্র প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্রে প্রতি মাসে ২৮ থেকে ৩০ লাখ গজ বস্ত্র প্রক্রিয়াকরণ করা হয় বলে জানান কেন্দ্রটির সহকারী মহাব্যবস্থাপক (ভারপ্রাপ্ত) শরীফ আল মাহমুদ।

এদিকে সম্প্রতি কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে গিয়ে দেখা যায়, সেখানকার কেন্দ্রটি আধুনিকায়ন করার জন্য নতুন কেনা যন্ত্রপাতি চার মাস ধরে খোলা আকাশের নিচে পড়ে আছে। পুরোনো যন্ত্র অপসারণ না করায় নতুন যন্ত্র বসানো যাচ্ছে না।

তাঁত বোর্ড তাঁতিদের ঋণও দেয়। ২০০৬ সালের পর নতুন প্রকল্প না আসায় ঋণ প্রদানও বন্ধ ছিল। ২০১৯ সালে তা আবার চালু হয়। তাঁত বোর্ড জানিয়েছে, তারা ৪ হাজার ২২৬ জনকে প্রায় ৫১ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছে।

ঋণ প্রদান পরিস্থিতি জানতে বরিশালের গৌরনদী উপজেলায় খোঁজ নেওয়া হয়েছিল। তাঁত বোর্ডের গৌরনদী বেসিক সেন্টারের কর্মকর্তারা জানান, ১৫ জন তাঁতিকে ঋণ দেওয়া হয়েছে ৮ লাখ ৪০ হাজার। অতীতে ২০৮ জন্য তাঁতিকে দেওয়া ঋণের মধ্যে খেলাপি ১১ লাখ টাকা। সূত্র জানায়, সেখানে ঋণদান ছাড়া তেমন কোনো কাজ নেই। তবে জনবল আছে সুপারভাইজারসহ তিনজন। গৌরনদী ও আগৈলঝাড়া উপজেলায় সক্রিয় তাঁতি ১১২ জন।

নরসিংদীতে তাঁতিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, জেলায় অনেকের তাঁত নেই অথবা বন্ধ। তবু সমিতিতে নাম রেখেছেন কম সুদে ঋণ পাওয়ার আশায়। তাঁত বোর্ডের নরসিংদী বেসিক সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, তাঁতিদের দুটি প্রকল্পের আওতায় ৫ ও ১০ শতাংশ সুদে তাঁতপ্রতি ৩০ থেকে ৬০ হাজার টাকা ঋণ দেওয়া হয়। জেলায় পৌনে ৬ কোটি টাকা ঋণ দেওয়া হয়েছে।

নরসিংদী বেসিক সেন্টারের লিয়াজোঁ কর্মকর্তা জাকিয়া সুলতানা প্রথম আলোকে বলেন, জেলায় নিবন্ধিত তাঁতি প্রায় ৩ হাজার। তবে বর্তমানে অনেকেরই তাঁত চালু নেই। অনেকে ১০ থেকে ১৫ বছর আগে ঋণ নিয়ে ফেরত দেননি।

তাঁত বোর্ডের অন্তত সাতটি শিক্ষা ও প্রশিক্ষণকেন্দ্র রয়েছে। এসব প্রশিক্ষণকেন্দ্র থেকে চলতি বছর ছয় হাজারজনকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে।

কুষ্টিয়ার কুমারখালী তাঁত বোর্ডের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মেহেদী হাসান প্রথম আলোকে বলেন, বিগত পাঁচ বছরে তিন দফায় ৯০ জন তাঁতি ও তাঁদের পরিবারের একজন করে সদস্যকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। করোনাকালের দুই বছর কোনো প্রশিক্ষণ হয়নি।

তাঁতিদের জমিতে কর্মকর্তাদের ‘আবাসন’

ঢাকার মিরপুরের তাঁতিদের পুর্নবাসনের জন্য ১৯৯৫ সালে সরকার ‘বেনারসিপল্লি, মিরপুর’ নামে একটি প্রকল্প নেয়। ভাষানটেকে ৪০ একর জমিতে এ পল্লি হওয়ার কথা। কথা ছিল, তাঁতিরা ৩ শতাংশ করে ৯০৬টি প্লট পাবেন। ২৯ কোটি টাকার বেশি ব্যয়ের পর প্রকল্পটি ২০০৭ সালে সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়। যদিও কোনো তাঁতি ও তাঁতের স্থান সেখানে হয়নি। এখন সেখানে তাঁত বোর্ডের প্রধান কার্যালয় ও কর্মকর্তা–কর্মচারীদের বাসস্থানের জন্য ভবন নির্মাণ করতে ‘তাঁত বোর্ড কমপ্লেক্স’ নামে একটি প্রকল্প নিচ্ছে বোর্ড।

বাতাঁবোর চেয়ারম্যান রেজাউল করিম প্রথম আলোকে বলেন, ভাষানটেকে যাঁদের প্লট দেওয়ার কথা ছিল, তাঁদের ঢাকার অদূরে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশনা আছে সরকারের। ভাষানটেকের জমিতে তাঁত বোর্ড কমপ্লেক্স নামে একটি প্রকল্প অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে।

জানা যায়, ভাষানটেকের ৪০ একর জমির মধ্যে ৩৭ একরই বেদখল। সেখানে মিরপুর থেকে উচ্ছেদ হয়ে আসা ৯২টি তাঁতি পরিবারসহ ২৫ হাজারের বেশি পরিবার বাস করে। রেজাউল করিম বলেন, ‘দু–একটি মামলা চলমান রয়েছে। মামলার রায় বোর্ডের পক্ষে আসলে আমরা উচ্ছেদে চলে যাব।’

অবশ্য তাঁতিদের পুনর্বাসনের জন্য নির্ধারিত জমিতে কার্যালয় ও কর্মকর্তাদের আবাসন প্রকল্প করা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। ভাষানটেকে বসবাসকারী একজন তাঁতি প্রথম আলোকে বলেন, তাঁত বোর্ডের কর্মকর্তারা নিজেদের আবাসন নিয়ে যতটা তৎপর, তাঁতিদের নিয়ে ততটা নয়।

‘বোর্ডকে সক্রিয় হতে হবে’

শুধু প্রশিক্ষণ ও ঋণ দিয়ে দেশের তাঁতশিল্পকে রক্ষা করা যাবে না বলে মনে করেন বেসরকারি সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) বিশেষ ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, ভোক্তার চাহিদা পরিবর্তন, বিদেশ থেকে রপ্তানিমুখী খাতের শুল্কমুক্ত সুবিধায় আনা বস্ত্র স্থানীয় বাজারে চলে আসা, তাঁত সংশ্লিষ্ট কাঁচামালের ঘাটতি, শ্রমিকের কম মজুরি, পোশাকের ভালো দাম না পাওয়া—তাঁত খাতের সমস্যা বহুবিধ। এ বহুবিধ সমস্যার বিপরীতে তাঁত বোর্ডের কাজ সীমিত। তাঁত বোর্ডকে কাজের ক্ষেত্র বাড়াতে হবে, তাঁতিদের স্বার্থ সংরক্ষণে নীতিগত পরিবর্তন আনতে হবে, পাশাপাশি প্রো–অ্যাকটিভ (সক্রিয়) হতে হবে।

তাঁতের ঐতিহ্যগত তাৎপর্যকে সংরক্ষণের জন্য সরকারের দিক থেকে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত থাকা দরকার বলেও উল্লেখ করেন মোস্তাফিজুর রহমান।


[প্রতিবেদনটি তৈরিতে তথ্য দিয়ে সহায়তা করেছেন নিজস্ব প্রতিবেদক, কুষ্টিয়া এবং প্রতিনিধি, নরসিংদীগৌরনদী]

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন