সাতক্ষীরা জেলা বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ কমিটির প্রশাসনিক প্রধান সাকিবুর রহমান জানান, সদর ইউনিয়নে দশম শ্রেণির এক ছাত্রীর বাল্যবিবাহের আয়োজন করা হয়। এ বিয়েতে ছাত্রীর সম্মতি না থাকায় গোপনে সে তার বিয়ে সম্পর্কে বিভিন্ন মহলে জানায়। আজ জুমার নামাজের পর কনের বাড়িতে এ বিয়ের আয়োজন চলছিল।

আগে থেকে গোপনে সংবাদ পেয়ে বিয়ের আগে কনের বাড়িতে হাজির হন উপজেলা মহিলাবিষয়ক অফিসের অফিস সহায়ক শাহিন আলম ও তালা সদর ইউনিয়নের কিশোর-কিশোরী ক্লাবের সংগীতশিক্ষক শুভ সরকার। তাঁরা সেখানে গিয়ে দেখেন, বিয়ের তোড়জোড় চলছে। তাঁরা কনের বাবার কাছে জন্মসনদ দেখতে চান। দেখা যায়, কনের বয়স ১৬ বছর। বিষয়টি তাঁরা উপজেলা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তাকে জানান।

তালা উপজেলা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা নাজমুন নাহার জানান, তাঁকে জানানোর পর তিনি কনের বাড়িতে যান বেলা আড়াইটার দিকে। সেখানে গিয়ে মেয়ের বাবাকে বাল্যবিবাহ বন্ধ করতে অনুরোধ করে। প্রথমে কনের বাবা বিয়ে বন্ধ করতে রাজি হননি। বাল্যবিবাহ আইন ও কুফল সম্পর্কে তাঁকে জানালে একপর্যায়ে তাঁর মেয়েকে ১৮ বছরের আগে বিয়ে দেবেন না বলে তিনি মুচলেকা দেন। ওই ছাত্রীকে যাতে বাল্যবিবাহ দিতে না পারেন, এ জন্য তাঁরা (নাজমুন) তদারক করবেন।