শিরিনা-ফরহ্যাড

অ্যাঞ্জেল শিরিনার ফেসবুক ইউজার নেম ছিল ‘একা রাজকন্যা’। অন্যদিকে ফরহ্যাড ছিলেন একজন ফটোশপ শিল্পী। তিনি নানা রকম কভার ফটো বানাতেন। একদিন ফেসবুকে অ্যাঞ্জেল শিরিনার ছবি দেখে মাথা খারাপ হয়ে যায় তাঁর! ইমপ্রেস করার জন্য একে একে শিরিনার ছবি দিয়ে অনেক ফেসবুক কভার ফটো বানাতে লাগলেন ফরহ্যাড। কিন্তু ফরহ্যাডকে পাত্তা দিতে নারাজ অনিন্দ্যসুন্দর প্রোফাইল পিকচারের অধিকারী শিরিনা। ফরহ্যাডও পিছু না হটে প্রতিদিন তৈরি করতে লাগলেন আরও অনেক অনেক কভার ফটো। শিরিনার ছবি দিয়ে তৈরি করলেন পুরো একটি ফটো অ্যালবাম। ফরহ্যাডের অমন পাগলামি দেখে শিরিনা ছুটে গেলেন তাঁর আইডিতে। শুরু হলো অমর এক প্রেমের গল্প। তাঁদের দুরন্ত প্রেমে বাধা হয়ে দাঁড়াল অন্য অনেক নারী। ফরহ্যাড একজন শিল্পী, তাই তাঁর প্রচুর নারীভক্ত। এটা শিরিনা মেনে নিতে পারছিলেন না। পরে শোনা যায়, ফেসবুকে রিলেশনশিপ স্ট্যাটাস দেওয়া নিয়ে ঝামেলায় দুজনেই চিরদিনের জন্য তাঁদের আইডি ডি–অ্যাক্টিভেট করে দেন। এভাবেই শেষ হয় এক অমর প্রেমকাহিনির!

লিলি-ম্যাজ
ম্যাজ ছিলেন রাজপুত্র ও কবি। বিদ্যালয়ে পড়ার সময় লিলির সঙ্গে প্রেম হয় তাঁর। একদিন ভাইবারে কথা বলার সময় ম্যাজ ধরা পড়েন তাঁর বাবার হাতে। বাবা এক আদেশে পুরো এলাকায় ভাইবার, হোয়াটসঅ্যাপ, লাইন, ট্যাঙ্গো বন্ধ করে দেন। ফলে লিলি ও ম্যাজের মধ্যে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ম্যাজ দুঃখ পেয়ে যুক্তরাষ্ট্রের লাস ভেগাসে চলে যান। সেখানে এক ভদ্রলোকের প্রেরণায় নিজের বাবার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন। কিন্তু তত দিনে লিলি রিলেশনশিপ স্ট্যাটাস ‘ম্যারিড’ ও প্রোফাইল পিকচারে স্বামীর সঙ্গে সেলফি দিয়ে দিয়েছেন!

জন্ডি উদাস–রিজ কেইনি
জন্ডি উদাস ছিলেন একাধারে কবি ও হ্যাকার। ফেসবুকে কবিতা লিখে জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন অল্প কিছুদিনেই। উঠতি মডেল রিজ কেইনিকে প্রথম ফেসবুকেই দেখেন জন্ডি। কিন্তু কেইনির ফ্রেন্ডলিস্ট ফুল থাকায় ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠাতে পারেননি। প্রতিদিন একবার করে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠানোর চেষ্টা করতে লাগলেন, কিন্তু বরাবরের মতো রাত কাটতে লাগল ব্যর্থতার কষ্ট নিয়ে। কেবল ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠিয়েই ক্ষান্ত হননি জন্ডি। কেইনির ইনবক্সে লিখেছিলেন, ‘পড়ে না চোখের পলক, অ্যাড মি, আই অ্যাম বলক!’ কিন্তু কেইনি সে মেসেজ ‘সিন’ করেও দেখেননি। এভাবে টানা ১২ বছর জন্ডি কেবল ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠিয়েই গেছেন। শেষ পর্যন্ত রিকোয়েস্ট আর যায়নি!

বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন