বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

শিশু ধর্ষণ ও হত্যায় আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল

আট বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে সিরাজগঞ্জ সদরের শহীদুল ইসলাম শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন সর্বোচ্চ আদালত। হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে এই আসামির করা জেল আপিল খারিজ করে দিয়েছেন আপিল বিভাগ।
আট বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ সিরাজগঞ্জ সদরের ডুমুর মুসা পশ্চিমপাড়া গ্রামের শহীদুলের বিরুদ্ধে। এই মামলায় ২০১৩ সালের ২ জানুয়ারি সিরাজগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল এই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেন। পরে আসামির ডেথরেফারেন্স ও জেল আপিলের শুনানি শেষে ২০১৮ সালের ৯ জুলাই হাইকোর্ট শহীদুলের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন। এই রায়ের বিরুদ্ধে একই বছর শহীদুল আপিল বিভাগে জেল আপিল করেন, যা আজ খারিজ হলো।

আদালতে শহীদুলের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এস এম বকস কল্লোল। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিৎ দেবনাথ।

পরে বিশ্বজিৎ দেবনাথ প্রথম আলোকে বলেন, ‘শিশুকে ধর্ষণ করে হত্যার মতো ঘৃণ্য অপরাধ বাড়ার প্রবণতা রোধে অপরাধীদের কাছে এমন বার্তা পৌঁছাতে হবে যে এ ব্যাপারে আইন ও আদালত অনেক কঠোর। এ ধরনের ঘৃণ্য অপরাধীদের প্রতি নমনীয় দৃষ্টি দেখানোর সুযোগ নেই, এতে সামাজিক ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে—শুনানিতে এসব যুক্তি তুলে ধরা হয়।’

স্ত্রী হত্যায় স্বামীর মৃত্যুদণ্ড বহাল

যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে হত্যা মামলায় সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার বটবাটা গ্রামের আবদুল লতিফের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ।

যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী মাসুদা খাতুনকে হত্যার অভিযোগে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে করা মামলায় সিরাজগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১১ সালের ৩০ অক্টোবর আবদুল লতিফকে মৃত্যুদণ্ড দিয়ে রায়ে দেন। পরে আসামির মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য ডেথরেফারেন্স ও আসামির জেল আপিলের শুনানি শেষে ২০১৭ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট লতিফের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে রায় দেন। এর বিরুদ্ধে জেল আপিল করেন লতিফ, যা আজ খারিজ হলো।
আদালতে লতিফের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এস এম বকস কল্লোল। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিৎ দেবনাথ।

মাইক্রোবাসচালক হত্যায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল

সিরাজগঞ্জে ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে মাইক্রোবাসচালক লিটন হত্যা মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে দুই আসামির করা জেল আপিল খারিজ করে দিয়েছেন আপিল বিভাগ। দুই আসামি হলেন বগুড়ার রহবল পূর্বপাড়া গ্রামের খোকন আকন্দ ও রংপুরের পীরগঞ্জের হাসানপুর গ্রামের আল আমিন।

আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ২০০৫ সালের ২৫ এপ্রিল রাতে যমুনা সেতুর কাছাকাছি মাইক্রোবাস ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে মাইক্রোবাসচালক লিটনকে আসামিরা হত্যা করে। এই মামলায় ২০১১ সালের ৯ জুন সিরাজগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ আদালত খোকন আকন্দ ও আল আমিনকে মৃত্যুদণ্ড দেন। আসামিদের মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে আসে। অন্যদিকে আসামিরা হাইকোর্টে আপিল করেন। এসবের শুনানি শেষে ২০১৭ সালের ১৯ জানুয়ারি হাইকোর্ট দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে রায় দেন। এই রায়ের বিরুদ্ধে একই বছর দুই আসামি জেল আপিল করেন।

আদালতে আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত হিসেবে শুনানি করেন আইনজীবী শিরীন আফরোজ। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিৎ দেবনাথ।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন