বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ওই ঘটনা নিয়ে স্বপ্রণোদিত রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে গত ২৮ অক্টোবর হাইকোর্ট পর্যবেক্ষণ, নির্দেশসহ রায় দেন। তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ চৌধুরী, উপপরিদর্শক হাবিবুর রহমান ও সহকারী উপপরিদর্শক মফিজুল ইসলামকে (৯ ওয়ার্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিট কর্মকর্তা) সামিয়ক বরখাস্ত করে তাঁদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে স্বরাষ্ট্র সচিবকে নির্দেশ দেওয়া হয়।

এই আদেশ স্থগিত চেয়ে তিন পুলিশ কর্মকর্তা আবেদন করেন, যা চেম্বার আদালতে শুনানির জন্য আজ ওঠে। আদালতে তিন পুলিশ কর্মকর্তার পক্ষে আইনজীবী মোমতাজ উদ্দিন আহমদ মেহেদী শুনানি করেন। আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) পক্ষে আইনজীবী অনীক আর হক শুনানি করেন। হাইকোর্টে ওই মামলায় ব্যাখ্যাকারী হিসেবে পক্ষভুক্ত হয় আসক।

গত বছরের সেপ্টেম্বরের শুরুর দিকে বেগমগঞ্জ উপজেলায় এক নারীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতনের ঘটনা ঘটে। দুর্বৃত্তরা ঘটনার ভিডিও চিত্র ধারণ করেন। পরে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় দেশজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। এ ঘটনা নিয়ে গণমাধ্যমে আসা প্রতিবেদন আদালতের নজরে আনেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আবদুল্লাহ আল মামুন। গত বছরের ৫ অক্টোবর হাইকোর্ট স্বপ্রণোদিত রুলসহ আদেশ দেন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন