বিজ্ঞাপন

১৯৯৩ সালে জনকণ্ঠের যাত্রার সময় থেকেই পত্রিকাটির সঙ্গে যুক্ত তোয়াব খান। সম্প্রতি পত্রিকাটিতে সংকট দেখা দিয়েছে। বেশ কিছুসংখ্যক সাংবাদিককে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। এ রকম পরিস্থিতির মধ্যেই তাঁকে জনকণ্ঠ ছাড়তে বলা হলো।

এ বিষয়ে কথা বলার জন্য গ্লোব-জনকণ্ঠ শিল্প পরিবার লিমিটেডের নির্বাহী পরিচালক মাহবুবুর রহমানকে ফোন করা হলেও তিনি তা ধরেননি।

সম্প্রতি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন তোয়াব খান। গত শতকের পঞ্চাশের দশকের শুরুতে সাংবাদিকতা শুরু করেন তোয়াব খান। তিনি সংবাদ, দৈনিক পাকিস্তান, দৈনিক বাংলাসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে সাংবাদিকতা করেন। তোয়াব খান জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রেস সচিব ছিলেন। সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদেরও প্রেস সচিবের দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।

এ ছাড়া বাংলাদেশ সরকারের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা, বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালকের দায়িত্ব পালন করেছেন বরেণ্য এই সাংবাদিক। মুক্তিযুদ্ধে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে শব্দসৈনিক ছিলেন তোয়াব খান। তিনি ২০১৬ সালে একুশে পদক পান।

জনকণ্ঠের সম্পাদক ও প্রকাশক মোহাম্মদ আতিকউল্লাহ খান মাসুদ গত ২২ মার্চ মারা গেছেন। এখন তাঁর স্ত্রী শামীমা এ খান পত্রিকাটির ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন