১০ বছর বন্ধ থাকার পর লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার দহগ্রাম ইউনিয়ন জমির ভূমি উন্নয়ন কর দিয়ে নামজারি করার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার উপজেলা ভূমি কার্যালয়ে এই কার্যক্রম শুরু হয়। এতে ওই ইউনিয়নের জমি বেচাকেনায় বাধা রইল না।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এ টি এম মমিন জানান, নতুন ভূমি জরিপের (আরএস) ভলিউম বই অনুযায়ী ভূমি উন্নয়ন কর নিয়ে নামজারি করা হচ্ছে। এখন জমির মালিকেরা দলিলও নিবন্ধন করতে পারবেন।
দহগ্রাম ইউনিয়নের দুটি মৌজার প্রায় ৪ হাজার ৬১৪ একর জমি রয়েছে। ১৯৫৬-৬২ সালে এসব জমি এসএ রেকর্ডভুক্ত হয়। কিন্তু দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা ছিটমহলের ওই দুটি মৌজার ভলিউম ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার ও জলপাইগুড়ি জেলায় ভূমি কার্যালয়ে রয়ে যায়। ফলে ১৯৬২ সালে ওই দুটি মৌজার জমি ভূমির মালিকদের নামে এসএ রেকর্ডভুক্ত করা সম্ভব হয়নি। ১৯৯২ সালে ভারতের কাছ থেকে তিনবিঘা করিডোর পাওয়ায় দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা ছিটমহলের সাড়ে ১৪ হাজার বাসিন্দা দেশের মূল ভূখণ্ডে যাতায়াতের সুবিধা পায়। ১৯৯০ সালে উপজেলা ভূমি হাল জরিপ (আরএস) শুরু হয়। এই সময় ওই দুটি মৌজার জমিও আরএস করা হয়। ২০১২ সালে গেজেট প্রকাশ করা হয়। এরপর পর্যায়ক্রমে ভূমির মালিকদের আরএস রেকর্ডের নকশা ও পর্চা দেওয়া হয়। তাঁরা ভূমির মালিকানা পান। কিন্তু স্থানীয় ভূমি অফিস ভূমি উন্নয়ন কর না নেওয়ায় ২০০৫ সাল থেকে নামজারি বন্ধ ছিল।
এ নিয়ে ৯ ফেব্রুয়ারি প্রথম আলোতে ‘দহগ্রামে জমি বেচাকেনা বন্ধ, বিপাকে মালিকেরা’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন